৯ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার

মোবাইল গেমে আসক্তি শি’শু কি’শোর

আপডেট: মে ৪, ২০২১

ফেইসবুক শেয়ার করুন

 

নিউজ ডেস্ক:: ক’রো’নায় স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকায় পটুয়াখালীর বিভিন্ন এলাকার উটতি বয়সী শি’শু কি’শোর এমনকি তরুণরা স্মা’র্টফোন আর অনলাইনভিত্তিক নানা গেমে আসক্ত হয়ে পড়ছে। মোবাইল ফোনের সহ’জলভ্যতা এবং হাতের নাগালের মধ্যে থাকা ইন্টারনেটেই এ অবস্থার। বর্তমানে এই মোবাইল গেমে অ’ত্যধিক আসক্ত হয়ে পড়ছে শি’শু থেকে শুরু করে কি’শোর এবং তরুণরাও। এর তিব্রতা ছড়িয়ে পড়েছে গ্রাম গুলোতেও।

সরেজমিনে দেখা যায়, পটুয়াখালীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ও খোঁজ খবর নিয়ে জানা জায় প্রতিদিন সকাল থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত কি’শোররা বিভিন্ন স্কুল মাঠ, ফাঁকা জায়গা এবং বাজারের অলিতে গলিতে থাকা চায়ের দোকানগুলোতে এক সাথে অনেকে বসে কানে এয়ারফোন লাগিয়ে মোবাইলে ভিডিও গেইম খেলছে।

পটুয়াখালীর এক চায়ের দোকানি বলেন, পোলাপাইন সারাদিন আমা’র দোকানে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বসে কানে হেডফোন লাগিয়ে মোবাইলে টিপতে থাকে। ওরা নাকি কি গেম খেলে।

লিমন সিকদার নামের এক কি’শোর বলেন, আমাদের কলেজ বন্ধ তাই গেম খেলে সময় পার করছি।

ফ্রি-ফায়ার বর্তমান সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় অনলাইলন গেম। বর্তমানে কয়েকগুণ বেড়েছে এই গেমের জনপ্রিয়তা এখন আকাশচুম্বী। মোবাইল এবং কম্পিউটার দুটোতেই খেলা যায় এই গেম। তবে ফ্রি-ফায়ার কম্পিউটার ভা’র্সনের থেকে মোবাইল ভা’র্সনটিই বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। আর এটিতে বেশী আসক্তি হয়েছে শি’শু কি’শোর তরুণরা।

অন্যান্য ব্যাটেল রয়্যাল গেমের মতোই ফ্রি-ফায়ার অনেক বেশি হিংস্র গেম। এবং এর ভ’য়াবহতা এতই বেশি যে শি’শু এবং কি’শোরদের মধ্যে এক প্রকার ক্ষিপ্রতা সৃষ্টি করে এই গেম। অ’ত্যধিক মাত্রায় হিংস্রতা থাকায় ১৩ বছরের কম বয়সীদের জন্য এই গেমটি নিষিদ্ধ। অ’তিরিক্ত হিংস্রতা শি’শু-কি’শোরদের মধ্য বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। এবং পরবর্তী জীবনে শি’শুদের হিংস্র করে তুলতে পারে এই গেম।

অনেক সময় অ’তিরিক্ত সময় ধরে খেলা অনলাইন গেম আসক্তির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। আবার সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ও অনলাইন গেম স’ম্প’র্কে ঠিকমতো ধারণা না থাকায় অ’ভিভাবকেরাও সন্তানের ঠিকমতো খোঁজখবর রাখতে পারেন না। এ ক্ষেত্রে তাই সচেতনতা বাড়ানো পাশাপাশি বিশেষ করে অ’ভিভাবকদের ছে’লেমে’য়েদের বিষয়ে সচেতন থাকা জরুরি।

সচেতন মহল বলছেন, স্কুল কলেজ বন্ধ থাকার কারণে শি’শু কি’শোররা বেশী এ ধরনের কাজে আসক্ত হয়ে যাচ্ছে। তবে এসব গেমে আসক্তির কারণে কি’শোররা পারিবারিক, সামাজিক অবস্থান থেকে বিচ্যুত হয়ে যাচ্ছে সাথে সাথে পড়াশোনায় ও অমনোযোগী হয়ে যাচ্ছে। খেলার এক পর্যায়ে এসে তারা ভায়োলেন্ট হয়ে যেতে পারে। এমনকি এটি আ’লো’চি’ত আরেক ‘ব্লু হোয়েল’ গেমের মতো কোনো পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। কেবল শা’রীরিক ক্ষতির কারণই নয় এই পাবজি গেমটি। সেই সাথে মানসিক রোগের কারণও হতে পারে মোবাইলফোন গেম।

ডাক্তার মো: নজরুল ই’স’লা’ম বলেন, গেমটি যেহেতু একটি জায়গাতেই আ’ট’কে থেকে খেলতে হয় সেহেতু এই গেম খেলা মানুষটি সামাজিকভাবে খুব বেশি সংযু’ক্ত থাকতে পারে না এবং এই গেমটি অ’তিরিক্ত খেলার কারণে চোখের সমস্যা হতে পারে। আর সেই সাথে দেখা দেয় ঘুমের ঘাটতি। এতে শা’রীরিক ভাবে বড় ধরনের ক্ষতির মধ্যে পরছে তারা।

9 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন