১৪ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং, বৃহস্পতিবার

শিরোনাম
কুলাউড়া আ’লীগের কাউন্সিলে সভানেত্রীর নির্দেশকে সম্মান জানিয়ে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেছি –তোফায়েল অবাক করার মতো সুলতান মনসুরের রাজনৈতিক ইতিহাস গ্রাম আদালতে জনগণের আস্থা অর্জন করলে স্থ।নীয় পর্যায়ে অনেক অপরাধ কমে যাবে–জেলা প্রশাসক নাজিয়া শিরিন কুলাউড়ায় ব্যবসা প্রতিষ্টানে ৮হাজার টাকা জরিমানা ‘মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ’ কাতার শাখার কমিটি গঠন কুলাউড়া আ’লীগের সম্মেলনে রফিকুল ইসলাম সভাপতি। কামরুল সম্পাদক। সলমান সহ-সভাপতি কুলাউড়া শিশু একাডেমীর ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ) উদযাপন কুলাউড়ায় আহমদ হোসেন । আওয়ামীলীগ দেশপ্রেমিক ও জনদরদীর দল কুলাউড়ায় সাংবাদিকদের সাথে ইউপি চেয়ারম্যান মমদুদের মতবিনিময়

কুলাউড়ার লুহাইনি চা বাগানে ধর্মঘটে শ্রমিকরা

আপডেট: জুলাই ৬, ২০১৯

ফেইসবুক শেয়ার করুন

মৌলভীবাজার কুলাউড়ায় লুহাইনি চা বাগানের শ্রমিকরা ১৩ দফা দাবি নিয়ে ধর্মঘট পালন করছেন। শনিবার (৬ জুলাই) সকাল থেকে স্থানীয় নেতৃবৃন্দদের নিয়ে এ ধর্মঘট শুরু করেছেন চা বাগানের শ্রমিকরা।

এ ব্যাপারে লুহাইনি চা বাগান পঞ্চায়েত কমিটির সাধারণ সম্পাদক রবি ভূমিজ বলেন, “আমাদের ১৩ দফা দাবি নিয়ে গতকাল শুক্রবার (৫জুলাই) দুর্গা মণ্ডপে একটি মিটিং আহ্বান করি। এ কারণে আজ আমাদের দুই জনের কাজ বন্ধ করে দেয় বাগান কর্তৃপক্ষ। তার প্রতিবাদে আমরা আজ থেকেই কর্মবিরতি শুরু করে দিয়েছি।”

তিনি আরো বলেন, “আমাদের চা বাগানের বর্তমান সংকট মোকাবিলায় সকল চা বাগানের চা-শ্রমিক ও ছাত্র যুবকদের আহ্বান জানাচ্ছি।”

চা-শ্রমিক নেতা বিশ্বজিৎ কৈরী বলেন, “আজ আমরা আমাদের ১৩ দফা দাবি নিয়ে বাগান মালিকদের কাছে বার বার গিয়ে কোন সুরাহা তো হই নি উপরন্তু আমাদেরকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। এই চা-বাগানের বর্তমান অবস্থা খুবই খারাপ। এখানে শ্রমিকদের দাবি পূরণে মালিকপক্ষ কোন উদ্যোগ হাতে না নেয়ায় চা-শ্রমিকরা আন্দোলন-সংগ্রামের পথ বেছে নিয়েছেন। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবো।”

শ্রমিকদের ১৩ দফা দাবি হলো:

জোরপূর্বক চা শ্রমিকদের জায়গা-জমি কেড়ে নেয়া যাবে না।
দীর্ঘদিন থেকে কাজ করা অস্থায়ী চা-শ্রমিকদের অবিলম্বে স্থায়ী করতে হবে।
চা-শ্রমিকদের ঘর-বাড়ি মেরামতে উদ্যোগ নিতে হবে।
মন্দির-মসজিদের রক্ষণাবেক্ষণে প্রয়োজনীয় লোক নিয়োগ করতে হবে।
শ্মশানঘাটের জায়গা দখল করা যাবে না।
গো-চারণের জন্য নির্ধারিত দখলকৃত জায়গা ফিরিয়ে দিতে হবে।
স্থানীয় ঠিকা শ্রমিকদের জন্যও রেশনের ব্যবস্থা করতে হবে।
চা-শ্রমিকদেরকে উন্নতমানের চিকিৎসাসেবা প্রদান করতে হবে।
প্রত্যেক চা শ্রমিক পরিবারে স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটারি ল্যাট্রিনের ব্যবস্থা করতে হবে।
স্প্রেয়িং সেকশনে কর্মরত সকল শ্রমিকদের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম প্রদান করতে হবে।
নারী চা-শ্রমিকদের দিয়ে চা কারখানায় কাজ করানো যাবে না।
অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিকদের রেশনের ব্যবস্থা করতে হবে।
চা-বাগানের সার্বিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতায় বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

100 বার নিউজটি শেয়ার হয়েছে
  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
Frank Dinar