‘মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী সিলেট অঞ্চলের শিক্ষা বিপ্লবের স্বপ্ন দেখেছিলেন। তিনি অন্তত দেড় ডজন স্কুল, কলেজ ও মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেছেন। শিক্ষা, সমাজসেবা ও রাজনীতির মধ্য দিয়ে সর্বস্তরের মানুষের মানুষের হৃদয় জয় করেছিলেন। কর্মের মধ্য দিয়ে আজীবন তিনি বেঁচে থাকবেন। সিলেট-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, জালালাবাদ কলেজ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্ট্রি বোর্ডের চেয়ারম্যান মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলে বক্তারা এসব কথা বলেন। গতকাল শনিবার সোবহানীঘাটস্থ কলেজ অডিটরিয়ামে এই কর্মসূচি পালিত হয়।

কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর হায়াতুল ইসলাম আকঞ্জির সভাপতিত্বে স্মরণসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন নর্থইস্ট মেডিকেল প্রাইভেট লিমিটেড এবং নর্থ ইস্ট মেডিকেল কলেজ গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান, জালালাবাদ কলেজ, উইজডম ট্রাস্টের সদস্য প্রফেসর ডা. সৈয়দ মূসা এমএ কাইয়ুম।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন- জালালাবাদ কলেজ গভর্নিং বডির প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, উইজডম ট্রাস্টের মেম্বার সেক্রেটারি ও জালালাবাদ কলেজ এডুকেশন ট্রাস্টের ডিরেক্টর ড. মোহাম্মদ এনামুল হক চৌধুরী এবং সদস্য, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও ব্যাংকার বদরুল আমিন হারুন।

বাবার স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য দেন মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরীর ছেলে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের প্রিন্সিপাল অফিসার নাজমুস সাকিব।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ডা. মূসা এমএ কাইয়ুম বলেন, মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী ইসলামি শিক্ষার পাশপাশি সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত ছিলেন। তিনি মানুষের মনের কথা খুব ভালো করে বুঝতেন। দলের উর্ধ্বে তিনি সর্বস্তরের মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছিলেন।

অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী সম্পূর্ণ নিঃস্বার্থভাবে শিক্ষা ও সমাজ সংস্কারে উদার হয়ে কাজ করে গেছেন। ইসলামিক সোসাইটি তাঁর হাতে ধরেই গড়ে উঠেছে। ব্যক্তি স্বার্থের উর্ধ্বে ওঠে তিনি এই অঞ্চলে নৈতিক শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করে গেছেন। তাঁর হাত ধরেই অন্তত দেড় ডজন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠেছে। যে প্রতিষ্ঠানগুলোতে পড়াশুনা করে অসংখ্য শিক্ষার্থীর জীবনের পথ দেখিয়েছে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে।
ড. এনামুল হক চৌধুরী বলেন, একটি জাতি কতটা এগিয়ে যাবে তা নির্ভর করে তার শিক্ষাব্যবস্থা কতটা উন্নত। মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী দেশের ও সমাজের উন্নয়নে নিজেকে উৎসর্গ করেছেন। সুদূরপ্রসারী চিন্তা নিয়ে গড়ে তুলেছেন অসংখ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। দেশের বাইরে গিয়েও তিনি নিজের এলাকার শিক্ষা, সমাজ নিয়ে ভাবতেন। তাঁর চাক্ষুস সাক্ষী আমি নিজে। তাঁর রেখে যাওয়া এসব কাজ আমৃত্যু সাদকায়ে জারিয়া হিসেবে কাজ করবে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, জালালাবাদ কলেজের কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর আয়েশা বেগম ও সাবেক কো-অর্ডিনেটর আব্দুস শাকুর, প্রভাষক নজরুল ইসলাম, সাদিক আহমদ রুবেল, সালমা, ফাহিমা সুলতানা চৌধুরী, তাহসিন সিদ্দিকা, সাদিক আহমদ রুবেল, জামিল আহমদ, নজরুল ইসলাম, বেলাল আহমদ, মোশাহিদ আলী, ইফতেখার আহমদ চৌধুরী, ইসরাত জাহান নৌমিন, শর্মিষ্ঠা দাস ও মুহাইমিন হেলাল ইফাত।

পরে, একই হলরুমে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের কলেজ পাঠদানের শেষে বিদায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

The post <span style='color:#000;font-size:18px;'>জালালাবাদ কলেজে সাবেক এমপি মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী স্মরণসভা</span><br/> মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী কর্মের মধ্য দিয়ে সর্বস্তরের মানুষের হৃদয় জয় করেছিলেন appeared first on সিলেটের ডাক.


সূত্র (Source): Sylheter Dak

এই সংবাদটি Sylheter Dak থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।