ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে পুলিশ সদস্য, সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতাসহ অন্তত অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের কারণে ফরিদপুর-বরিশাল মহাসড়কে প্রায় তিন ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকায় উভয় পাশে কয়েক হাজার যানবাহন আটকা পড়ে এবং চরম ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।
রোববার সকাল ৮টার দিকে উপজেলার হামিরদী ও মানিকদাহ ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত দফায় দফায় সংঘর্ষ চলছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে একাধিক থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও শুরুতে সফল হয়নি।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পুকুরিয়া বাসস্ট্যান্ডের দুই পাশে হাজারো গ্রামবাসী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এ ঘটনায় পুলিশের সার্কেল কর্মকর্তা, ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), একাধিক পুলিশ সদস্য, উপজেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার ইকবাল হোসেন সেলিম, সাংবাদিকসহ অন্তত অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হন।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, ‘পুকুরিয়া বাসস্ট্যান্ডের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে মানিকদাহ ইউনিয়নের সুলতান মাতুব্বরের সমর্থক এবং হামিরদী ইউনিয়নের সিরু মোল্লার সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে একাধিক টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যের জন্য জেলা সদরকে অবহিত করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ পৌঁছানোর পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে।’
বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। একই সঙ্গে মহাসড়কের দুই পাশে আটকা পড়া হাজারো যাত্রী চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
The post তিন ঘণ্টা মহাসড়ক অবরুদ্ধ, ভাঙ্গায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ appeared first on DAILYSYLHET.COM | SYLHET NEWS | BANGLA NEWS.
সূত্র (Source): Daily Sylhet
এই সংবাদটি Daily Sylhet থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।
