এস আর চৌধুরী অনিঃ মৌলভীবাজারের কুলাউড়া ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নির্বাচনকে সামনে রেখে শহরে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। মনোনয়নপত্র দাখিল ও প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই বাজার জুড়ে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। জোর প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থী ও সমর্থকেরা।
আগামী শনিবার (২১ নভেম্বর) সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত টানা ভোট গ্রহণ চলবে কুলাউড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে। ভোট কেন্দ্রের আশে-পাশে ছেয়ে গেছে নির্বাচনী পোস্টারে। নির্বাচনের আর মাত্র দুইদিন বাকি। তাই প্রার্থীরা ভোটারদের দ্বারে-দ্বারে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন। প্রার্থীরা স্ব-স্ব সমর্থিত লোক সমাগম করে শোডাউনের মধ্যদিয়ে গণ-সংযোগও করছেন।
এ বছর নির্বাচন পরিচালনা পরিষদের আহবায়কের দায়িত্ব পালন করছেন খন্দকার লুৎফুর রহমান। সদস্য সচিবের দায়িত্বে আছেন প্রভাষক সিপার আহমেদ। সদস্য হিসেবে রয়েছেন সমিতির সাবেক সভাপতি হাজী মো. চেরাগ আলী, কুলাউড়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ সৌম্য প্রদীপ ভট্টাচার্য সজল, কুলাউড়া প্রেসক্লাব সভাপতি এম শাকিল রশীদ চৌধুরী ও মেঘনা ওয়েল কোং ডিলার হাজী মো. বদরুল ইসলাম বদই।
সরেজমিনে বাজার ঘুরে দেখা যায়, ২১ নভেম্বরের নির্বাচনকে ঘিরে বাজার জুড়ে চলছে উৎসবের আমেজ। প্রার্থীদের পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুন, লিফলেটে ছেয়ে গেছে বাজারসহ আশপাশের এলাকা। প্রার্থীরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যেয়ে লিফলেট বিতরণ করে ভোট প্রার্থনা ও দোয়া কামনা করে চালিয়ে যাচ্ছেন প্রচার-প্রচারণা। ভোটারদের ধারণা সভাপতি, সম্পাদক ও সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে হাড্ডা হাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে বেশি। তবে প্রত্যেক প্রার্থী ভোট পাওয়ার যোগ্য বলে মনে করেন ভোটাররা।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, কুলাউড়া ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচনে মোট ভোটার ২ হাজার ৯৭৮ জন। নির্বাচনে ১১টি পদে ২৮ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। এছাড়া ৮টি ওয়ার্ডে একজন ওয়ার্ড সম্পাদক ও দুইজন ওয়ার্ড সদস্য পদে লড়ছেন ৪৯ জন প্রার্থী। ইতিমধ্যে ৬নং ওয়ার্ড সম্পাদক পদে আব্দুল্লাহ আল মনি, ১ নং ওয়ার্ড সম্পাদক পদে নজরুল ইসলাম ও ৭নং ওয়ার্ড সম্পাদক পদে এজাজ মাহমুদ চৌধুরী ফুল বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
কুলাউড়া ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নির্বাচন পরিচালনা পরিষদের আহবায়ক খন্দকার লুৎফুর রহমান জানান, ভোট কেন্দ্রে সুষ্ঠভাবে ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভোটারগণ যাতে ভোট দিতে পারে সে জন্য সব ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। এছাড়া ভোট কেন্দ্রের সার্বিক শান্তিশৃংখলা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন সার্বক্ষনিক নজরদারী থাকবে বলে তিনি জানান।