জুলাই ১৩, ২০১৫ ৫:০৮ অপরাহ্ণ

৬৪ আঘাত, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে রাজনের মৃত্যু


কুলাউড়া সংবাদ, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০১৫ ইং ।

বর্বর নির্যাতনের শিকার শিশু সামিউল আলম রাজনের মৃতদেহের ময়না তদন্ত প্রতিবেদন এখন পুলিশের হাতে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মস্তিষ্কে আঘাতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে কারণেই রাজনের মৃত্যু। তার শরীরে ৬৪টি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

সোমবার দুপুরে প্রতিবেদন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জালালাবাদ থানার পরিদর্শক আলমগীর হোসেনের হাতে পৌঁছেছে।

এদিকে রাজন হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে ইসমাইল হোসেন আবলুছ নামে আরেকজনকে আটক করেছে পুলিশ।

এরা আগে রাজন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আটক মুহিদ আলমের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সিলেটের মহানগর হাকিম আদালত-২ এর বিচারক ফারহানা ইয়াসমিন সোমবার সকালে এই রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার সিলেট নগরীর কুমারগাঁওয়ে রাজনকে চুরির অভিযোগে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে নির্মমভাবে নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করা হয়। তার লাশ গুম করার চেষ্টাকালে জনতার সহায়তায় পুলিশের হাতে আটক হয় মুহিদ আলম।

এ ঘটনায় পুলিশ বাদি হয়ে নগরীর জালালাবাদ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে। মামলায় আটক মুহিদ আলম (২২) ও তার ভাই কামরুল ইসলাম (২৪), তাদের সহযোগী আলী হায়দার ওরফে আলী (৩৪) ও চৌকিদার ময়না মিয়া ওরফে বড় ময়নাকে (৪৫) আসামি করা হয়েছে।

নিহত সামিউল আলম রাজনের বাড়ি সিলেট নগরীর কুমারগাঁও বাসস্ট্যান্ডের পাশে সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের বাদে আলী গ্রামে। সামিউলের বাবা শেখ আজিজুর রহমান পেশায় একজন প্রাইভেটকারচালক। তার দুই ছেলের মধ্যে সামিউল বড়।

নিউজটি শেয়ার করুন

169 বার মোট পড়া হয়েছে সংবাদটি
error: আপনি কি খারাপ লোক ? কপি করছেন কেন ?? হাহাহ