সেপ্টেম্বর ১৫, ২০১৫ ৮:২৮ অপরাহ্ণ

সিলেটে মাইকে ঘোষণা দিয়ে রাতভর দুই গ্রামের সংঘর্ষ


তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মাইকে ঘোষণা দিয়ে সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় দুই গ্রামের মধ্যে রাতভর সংঘর্ঘের ঘটনা ঘটেছে। এতে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে জৈন্তাপুরের হরিপুর এলাকা।

সোমবার রাত ৯টা থেকে উপজেলার বালিয়াপাড়া ও হেমু হাউদপাড়া গ্রামের লোকজন সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। সংঘর্ষ চলে রাত আড়াইটা পর্যন্ত। এতে প্রায় ২৫-৩০ জন আহত হয়েছেন বলে  জানিয়েছেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, হেমু বাজারে বালিয়াপাড়ার এক যুবকের জুতা কেনাকে কেন্দ্র করে হাউদপাড়ার জনৈক ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। এর জের ধরে সন্ধ্যার পর বাজারে দু’পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। রাত ৯ টার দিকে উভয় পক্ষ মাইকে ঘোষণা দিয়ে দেশী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় বাজারের বেশ কয়েকটি দোকানে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, উভয় পক্ষ বৃষ্টির মতো ইটপাটকেল ছুঁড়তে থাকে। এতে অন্তত ২৫-৩০ জন আহত হয়েছেন। ব্যাপক সংঘর্ষ ও অন্ধকারের কারণে আহতদের সংখ্যা নিরূপন সম্ভব হয়নি।

খবর পেয়ে প্রথমে জৈন্তাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে এলেও উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তারা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেনি। পরবর্তীতে সিলেট থেকে দাঙ্গা পুলিশকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। পুলিশ বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি ছুঁড়লেও দু’পক্ষের সংঘর্ষ থামেনি বলে জানায় প্রত্যক্ষদর্শীরা। জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সংঘর্ষ থামান।

মঙ্গলবার ভোর ৪টায় জয়নাল আবেদীনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি  বলেন, ‘রাত আড়াইটার দিকে সংঘর্ষ থামানো হয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনায় আগামী বৃহস্পতিবার সালিশ বৈঠক করার জন্য দিন ধার্য্য করা হয়েছে। উভয় পক্ষ থেকে ৫০ লাখ টাকা করে ১কোটি টাকা জমা রেখে বিচার শুরু হবে। ইতোমধ্যে উভয় পক্ষ নগদ ১ লাখ করে জমা দিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

error: আপনি কি খারাপ লোক ? কপি করছেন কেন ?? হাহাহ