সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৫ ৬:৪৩ অপরাহ্ণ

সিলেটে ইন্টারনেট মেলার উদ্বোধন করলেন পলক


কূলাউড়া সংবাদ : শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৫ : ॥ দেশজুড়ে দ্রুত ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে ইন্টারনেট বিশ্বের বিস্ময় বাংলাদেশ। শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করার সময় দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ছিল মাত্র ১২ লাখ। ৬ বছরে সেই সংখ্যা এসে দাঁড়িয়েছে ৫ কোটি ৭ লাখে।’ শুক্রবার বিভাগীয় শহর সিলেটের রিকাবি বাজার সিটি ইনডোর স্টেডিয়ামে দেশের সর্ববৃহৎ ইন্টারনেট উৎসব ‘বাংলাদেশ ইন্টারনেট উইক ২০১৫’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

পলক বলেন, ‘দেশে এখন ইন্টারনেট ভিত্তিক ব্যবসা ও চাকরির পরিধি বাড়ছে। গ্রামের প্রত্যান্ত অঞ্চলে একটি ডিজিটাল সেন্টার থেকেও ইন্টারনেট ভিত্তিক উদ্যোক্তা গড়ে উঠছেন।’ দেশে এই মুহূর্তে ৭ লাখ তরুণ-তরুণী ইন্টারনেটে ব্যবসা করছেন বলেও তিনি জানান।

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, ‘দেশে ইন্টারনেট ভিত্তিক ব্যবসার সম্প্রসারণের জন্য এখন ৩৪ হাজার শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এরাই দেশে-বিদেশে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে নেতৃত্ব দেবে।’ আজ (শুক্রবার) সকালেও সিলেটে ৫০০ জনের একটি লার্নিং আর্নিং প্রোজেক্টের উদ্বোধন করেন এবং একই জাগায় এর আগে ৫২০ জনের লার্নিং আর্নিং প্রোজেক্টের ট্রেনিং দেওয়া হয়েছে বলে জানান পলক।

‘বাংলাদেশ ইন্টারনেট উইক ২০১৫’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ, তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ইমরান আহমেদ, বেসিসের সভাপতি শামীম আহসান, গ্রামীণফোনের ডিরেক্টর (স্টেকহোল্ডার রিলেশনস) ইশতিয়াক হুসেন চৌধুরী, বেসিসের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও বাংলাদেশ ইন্টারনেট উইক ২০১৫ এর আহ্বায়ক রাসেল টি. আহমেদ। এছাড়াও বেসিস, আইসিটি ডিভিশন ও গ্রামীণফোনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত ৫ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর রাজধানীর বনানী মাঠে বাংলাদেশ ইন্টারনেট উইক আয়োজন করা হয়। এরপর ৯ সেপ্টেম্বর রাজশাহীতে এই উৎসব পালন করা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার সিলেটে এই ইন্টারনেট উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। এই উৎসবটি ঢাকা, রাজশাহী ও সিলেটে বড় উৎসবের পাশাপাশি ৫ থেকে ১১ সেপ্টেম্বর দেশের সবকটি উপজেলায় এই উৎসব পালন করা হচ্ছে।

উৎসবের অংশ হিসেবে প্রায় অর্ধশত বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন কর্মশালা, সেমিনার এবং দেশের গনমাধ্যমগুলোতে অন্তত ৭টি পলিসি বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। আর এর মাধ্যমে ইন্টারনেট প্রবৃদ্ধির হার বাড়িয়ে প্রতিবছর নূণ্যতম ১ কোটি ইন্টারনেট গ্রাহক বাড়ানো, সাধারণ জনগনকে আরও বেশি অনলাইন সেবার আওতায় আনাসহ তথ্যপ্রযুক্তি ও ইন্টারনেটভিত্তিক উদ্যোক্তাদের প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিতকল্পে এগিয়ে যাওয়াও এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

এই উৎসব আয়োজন করেছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস), তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ এবং গ্রামীণফোন। উৎসবে অংশ নিয়েছে ই-কমার্স, ওয়েবপোর্টাল, মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ও সারাদেশের স্থানীয় মোবাইল ভিত্তিক উদ্যোগ।

নিউজটি শেয়ার করুন

error: আপনি কি খারাপ লোক ? কপি করছেন কেন ?? হাহাহ