জুলাই ১৮, ২০১৫ ১:১০ পূর্বাহ্ণ

রাজন খুন : মোবাইল ফোনের কললিস্টে ফেঁসে যেতে পারেন অনেকেই


কুলাউড়া সংবাদ, শনিবার , ১৭ জুলাই ২০১৫ ::

 দিন যতই গড়াচ্ছে ততই খোলাসা হচ্ছে রাজন হত্যা ঘটনা ধামা চাপা দিতে পুলিশের সংশ্লিষ্টতা। মোবাইল ফোনের কললিস্টের সূত্র ধরে ফেঁসে যেতে পারেন পুলিশের অনেক কর্মকর্তা- এমনটাই আভাস মিলছে। এদিকে রাজন হত্যা ঘটনায় পুলিশের গাফিলতি ও আর্থিক লেনদেনের বিষয় তদন্তে গঠিত কমিটি বেশ কিছু তথ্য প্রমাণ হাতে পেয়েছে। দুইটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা বিক্রি করে তৎক্ষণাত কামরুল ও মুহিত ৬ লাখ টাকা জালালাবাদ থানার দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে যোগান দিয়েছিল, সেই অটোরিকশা দুইটির রেজিস্ট্রেশন নাম্বারও তদন্ত কমিটি পেয়ে গেছে। রাজন হত্যা তদন্ত গোয়েন্দা পুলিশে চলে যাওয়ায় ভেঙ্গে গেছে থানা পুলিশে মামলার তদন্ত তদারকির জন্য গঠিত কমিটি। অপরদিকে বুধবার রাতে জনতা আটক করেছে রাজনের উপর নির্যাতনের দৃশ্য মোবাইলে ধারণকারী নূর মিয়াকে। সামিউল আলম রাজন হত্যা ঘটনা তদন্তের দায়িত্ব পেয়েই কাজ শুরু করেছে সিলেট নগর গোয়েন্দা পুলিশ।মুখ্য মহানগর হাকিম (তৃতীয়) আদালত থেকে দুলাল আহমদ, নূর আহমদ ও আলীকে ৭ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে তারা। চাঞ্চল্যকর এ মামলা তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছেন নগর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক সুরঞ্জিত তালুকদার। তদন্ত কর্মকর্তা  বলেন, কাজ দ্রুতই এগোচ্ছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি, রিমান্ডে আনা আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত আছে।  এদিকে মঙ্গলবার বিকাল থেকেই পুলিশের বিরুদ্ধে কর্তব্যে গাফিলতি ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ তদন্তে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার রুকন উদ্দিনকে প্রধান করে গঠিত ৩ সদস্যের কমিটি কাজ শুরু করে। ইতিমধ্যেই রাজন হত্যা ঘটনা ধামাচাপায় পুলিশের সংশ্লিষ্টতার অনেক তথ্য তদন্ত কমিটির হাতে এসেছে। নির্ভরযোগ্য একটি সূত্রে জানা গেছে, মোবাইল ফোনের কললিস্টের সূত্র ধরে তদন্ত কমিটি জানতে পেরেছে রাজন হত্যা ঘটনা ধামাচাপা চেষ্টায় পুলিশের কোন কোন কর্মকর্তা জড়িত। এ ছাড়াও দুইটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা বিক্রি করে তৎক্ষণাত কামরুল ও মুহিত ৬ লাখ টাকা জালালাবাদ থানার দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে যোগান দিয়েছিল, সেই অটোরিকশা দুইটির রেজিস্ট্রেশন নাম্বারও (সিলেট-ত-১২-১৮০২ এবং সিলেট-ত-১৩-২৩৩) তদন্ত কমিটি পেয়ে গেছে। তদন্ত কমিটি জানতে পেরেছে, দুইটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার একটির মালিক মুহিতুল আলম এবং অপরটি তাদের বড় ভাই আলী আহমদের। সূত্রের মতে, তদন্ত কমিটির হাতে তথ্য রয়েছে এ দুইটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা নগরীর চাতল (নয়া বাজার) এলাকার একটি গ্যারেজে বিক্রি করা হয়।

মামলার নথি পর্যালোচনায় দেখা যায়, রাজন নিহতের ঘটনায় জালালাবাদ থানার এসআই আমিনুল বাদী হয়ে ৮ই জুলাই রাত ৮টা ৪০ মিনিটে যে মামলাটি (নং-০৪) দায়ের করেন তাতে হত্যা ঘটনার সময় দেখানো হয় ওই দিন ভোর ৬টা ১০ মিনিট। অর্থাৎ ঘটনার ১৪ ঘণ্টা ৩০ মিনিট পর মামলাটি দায়ের হয়। অথচ ঘটনাস্থলের আশপাশের মানুষ দুপুর ১২টার দিকে হত্যাকারী কামরুল ও মুহিতকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। যদিও পুলিশের দায়ের করা মামলায় লাশ উদ্ধারের সময় উল্লেখ করা হয়েছে দুপুর ২টা। আইন বিশেষজ্ঞরা প্রশ্ন তুলছেন, রাজনের লাশ উদ্ধারে পুলিশের উল্লেখ করা সময়ও যদি সঠিক ধরে নেয়া হয় তারপরও লাশ উদ্ধার ও মামলা দায়েরের মধ্যের ৬ ঘণ্টা ৪০ মিনিট পুলিশের ভূমিকা কি ছিল তা খতিয়ে দেখার দাবি রাখে। এ ছাড়াও রাজনের পরিচয় জানার পরও পুলিশ মামলায় রাজনের নামোল্লেখ না করে ‘অজ্ঞাতনামা (পুরুষ) বয়স অনুমান (১৫)’ উল্লেখ করে। পুলিশ রাজনের লাশ উদ্ধারের প্রায় ৭ ঘণ্টা পর মামলা দায়েরের সময় পলাতক চৌকিদার ময়না মিয়ার নাম জানতে পারলো, নির্যাতনের স্থান ‘সুদিপ কপালী বাবুর ওয়ার্কশপ’ সেটারও সন্ধান পেলো অথচ পৈশাচিক নির্যাতনে নিহত শিশু রাজনের নামটি পুলিশ জানতে পারেনি এমন বক্তব্য বিশ্বাসযোগ্য নয়। আইন বিশেষজ্ঞরা স্মরণ করিয়ে দেন, ২০১৩ সালের শিশু আইন অনুযায়ী ১৮ বছরের নিচে যাদের বয়স তারাই শিশু। তারা বলছেন, পুলিশের এ আইনটি অজানা থাকার কথা নয়। এমন ত্রুটি পুলিশের ইচ্ছাকৃত এবং অমার্জনীয়। মামলায় ‘শিশু’ উল্লেখ থাকলে আদালত বিষয়টিতে অধিক গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। এ ছাড়াও মামলায় ‘ভ্যান চুরি’র সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ আনা হয় রাজনের বিরুদ্ধে।

প্রশ্ন উঠেছে, এলাকাবাসী মাইক্রোবাসসহ রাজনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশকে দিয়েছে- এটা জানার পর রাজনের বাবা সঙ্গে সঙ্গে থানায় গেলেও তিনি কেন পুলিশের কাছে ঘেষতে পারেননি। আর তিনি যদি লাশ উদ্ধারের পর থানায় গিয়ে থাকেন তবে জালালাবাদ থানার ওসি (তদন্ত) আলমগীর হোসেন ও এসআই আমিনুল ইসলাম রাজনের বাবাকে পাশ কাটিয়ে মামলা দায়েরে কেন এত তৎপর হলেন। মামলার নথি পর্যালোচনায় আরও দেখা যায়, নিহত রাজনের বাবা ঘটনার রাতেই ৪ জনকে আসামি করে জালালাবাদ থানায় লিখিত এজাহার দেন। কিন্তু পুলিশ বিষয়টি আমলে নেয়নি। নথিতে দেখা যায়, ঘটনার পরদিন অর্থাৎ ৯ই জুলাই ওই থানারই এক নারী এএসআই ‘জেবা’ নাম স্বাক্ষর করে এজাহারটি ‘গৃহীত’ বলে থানায় জমা রাখেন। সবচেয়ে বিস্ময় হচ্ছে, পুলিশের দায়ের করা মামলায় রাজন ‘অজ্ঞাতনামা (পুরুষ)’ হলেও জনতার হাতে আটকের পর পুলিশে সোপর্দ হওয়া মুহিত আলমকে আদালতে পাঠাতে ওসি (তদন্ত) আলমগীর হোসেন যে অগ্রবর্তী প্রতিবেদন লিখেন তাতে রাজনের নাম, পিতার নাম, ঠিকানা সবই সঠিকভাবে উল্লেখ ছিল। তাই এক্ষেত্রেও প্রশ্ন উঠেছে, রাজনের বাবার এজাহার থেকেই পুলিশ এ তথ্যগুলো সংগ্রহ করেছে অথচ রাজনের বাবার এজাহার থানা পুলিশ আমলে নেয়নি। শুধুমাত্র আদালতে প্রেরিত আসামি অগ্রবর্তী প্রতিবেদনের সঙ্গে জালালাবাদ থানায় দেয়া রাজনের বাবার এজাহারটি গেঁথে দিয়েছে। এমনকি ৯ই জুলাই মুহিত আলমকে ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জালালাবাদ থানার ওসি (তদন্ত) আলমগীর হোসেন আদালতে যে দরখাস্ত দেন তাতে এ মামলার আসামি হিসেবে শুধু মুহিত ও ময়নার কথা উল্লেখ আছে- রাজনের বাবার দায়েরকৃত এজাহারে আসামিদের কোন উল্লেখ সেখানেও নেই। সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ই ইউ শহীদুল ইসলাম  বলেন, শিশুদের অধিক সুরক্ষার জন্য ১৯৭৪ সালের শিশু আইন সংশোধন করে ২০১৩ সালে নতুন দেশে নতুন আইন করা হয়। এক্ষেত্রে শিশুর বয়স ১৬ থেকে বাড়িয়ে ১৮ নির্ধারণ করা হয়। বিজ্ঞ এ আইনজীবী বলেন, আইনের সংস্পর্শে আসা শিশুর ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যবস্থা ও সুরক্ষা রাখা হয়েছে। অর্থাৎ কোন মামলায় কোন শিশু যদি আসামি, বাদী, সাক্ষি বা ভিকটিম হয় বা যে কোনভাবে ঘটনার সঙ্গে কোন শিশুর সংশ্লিষ্টতার প্রকাশ পেলে সে মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে বিষয়টি সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।
ই ইউ শহীদুল ইসলাম বলেন, মামলার বাদী এসআই আমিনুল ও তদন্ত কর্মকর্তা আমিনুল অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে শিশু রাজনকে চোর সাজিয়ে ‘শিশু’ শব্দটিকে পাশ কাটিয়ে যান। রাজনের বাবা আজিজুর রহমান আলমের মামলা প্রসঙ্গে এ আইনজীবী বলেন, রাজনের বাবার দরখাস্ত এজাহার হিসেবে না নিয়ে পুলিশ নিজেরাই বাদী হয়ে মামলা করেছে। এক্ষেত্রে রাজনের বাবার দরখাস্তকে সম্পূরক এজাহার বা ১৬১ ধারার জবানবন্দি হিসেবে গণ্য করা যেতে পারে। তা ছাড়াও এসআই আমিনুলের দায়েরকৃত মামলাটিতে ফাইন্যাল রিপোর্ট দিয়ে রাজনের বাবার দরখাস্তকে এজাহার হিসেবে গণ্য করা যেতে পারে।

রাজনের বাবা আজিজুর রহমান আলম ১৪ই জুলাই সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেছিলেন, জালালাবাদ থানা পুলিশ ১২ লাখ টাকার বিনিময়ে আমার ছেলে রাজনের হত্যাকাণ্ডটি ধামাচাপা দিতে চেয়েছিল। তিনি বলেন, রাজনকে হত্যার পর বুধবার রাতেই জালালাবাদ থানায় মামলা করতে গিয়েছিলাম। কিন্তু পুলিশ মামলা নেয়নি। আমার মামলার আগেই পুলিশ বাদী হয়ে মাত্র দুইজনকে আসামি করে মামলা রুজু করে এবং প্রধান আসামি কামরুলকে টাকার বিনিময়ে থানা থেকে ছেড়ে দেয়। রাজনের বাবা তার সন্তান হত্যায় সংশ্লিষ্ট সকল আসামির নামোল্লেখ করে মামলা করতে চাইলে এসআই আমিনুল ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। একপর্যায়ে রাজনের বাবাকে গলাধাক্কা দিয়ে থানা থেকে বের করে দেন।

এদিকে শিশু রাজন হত্যা ঘটনায় বৃহস্পতিবার বিকাল পর্যন্ত গ্রেপ্তার হলেন দশ জন। যাদের সবাইকে জনতা আটকের পর পুলিশে সোপর্দ করে। এদের মধ্যে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নেয় মুহিত আলম, চৌকিদার ময়না, দুলাল আহমদ এবং সৌদি আরবে প্রবাসী বাংলাদেশীদের হাতে আটক কামরুল ইসলাম। এ ছাড়া ফিরোজ আলী ও আজমত আলী ঘটনার দুই প্রত্যক্ষদর্শী আটক আছেন। এ দুজন ইতিমধ্যে আদালতে ১৬৪ ধারায় ঘটনার প্রত্যক্ষ বর্ণনা দিয়েছেন। ৫ দিন পুলিশ রিমান্ডে থাকা মুহিত আলমের রিমান্ড আজ শেষ হবে। আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি না দিলে তাকে দ্বিতীয় দফা রিমান্ড চাইবে পুলিশ। মুহিতের তালতো ভাই ইসমাইল হোসেন আবলুসের ৫ দিন পুলিশ রিমান্ডের আজ শুক্রবার চতুর্থ দিন চলছে। ৭ দিনের রিমান্ডের তৃতীয় দিন অতিবাহিত হচ্ছে চৌকিদার ময়নার। আর বুধবার রাতে জনতা নগরীর জাঙ্গাইল থেকে আটক করেছে রাজনের উপর নির্যাতনের দৃশ্য মোবাইলে ধারণকারী নূর আহমদকে। এলাকাবাসীর চাপের মুখে নূর মিয়াকে তার বাবা নিজাম উদ্দিন পুলিশের হাতে তুলে দেন। এ সময় বিপুল সংখ্যক মানুষ ওই এলাকা ঘিরে রাখে। রাজন হত্যা মামলার প্রধান আসামি মুহিতের স্ত্রী লিপি বেগমকে সোমবার রাত সাড়ে ৮টায় ছাতক থানার গোবিন্দগঞ্জের এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে আটক করেছিল। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্তভার জালালাবাদ থানা পুলিশের কাছ থেকে সড়িয়ে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশকে দেয়া হয়েছে।

সিলেট মেট্রোপলিটান পুলিশের সহকারী কমিশনার (জনসংযোগ) মোহাম্মদ রহমত উল্লাহ  বলেন, রিমান্ডে আনা আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের সময়ই পাচ্ছি না। আসামি গ্রেপ্তার, থানায় নেয়া, আদালতে হাজির করা এসব কিছুতেই অতিরিক্ত নিরাপত্তা নিতে হচ্ছে। জনরোষ থেকে আসামিদের বাঁচিয়ে রাখাই এখন বিরাট এক কাজ। হত্যার মোটিভ ‘শুধু চুরি’ না অন্য কিছু- আবারও এমন প্রশ্নের জবাবে সহকারী পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ রহমত উল্লাহ বলেন, বিষয়টি আমাদের নলেজে আছে। বলাৎকারের একটি বিষয় নিয়ে ময়না ও অন্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

৮ই জুলাই বুধবার সিলেট নগরীর কুমারগাঁওয়ে গাড়ি চালক শেখ মোহাম্মদ আজিজুর রহমান আলমের ছেলে সামিউল আলম রাজনকে কুমারগাঁও এলাকার একটি গ্যারেজ থেকে ভ্যান চুরির মিথ্যা অপবাদে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে পৈশাচিক নির্যাতন চালানো হয়। নির্যাতনের এ চিত্র মোবাইলে ভিডিও করে ফেসবুকে আপলোড করা হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ ভিডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়ে সারা বিশ্বে। একপর্যায়ে রাজন মারা গেলে তার লাশ একটি মাইক্রোবাসে তুলে গুম করার চেষ্টাকালে জনতা শেখপাড়া গ্রামের মৃত আবদুল মালিকের ছেলে কামরুল ইসলাম ও মুহিত আলমকে আটক করে জালালাবাদ থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। ১২ লাখ টাকার চুক্তিতে ওই থানার দুই পুলিশ কর্মকর্তার প্রত্যক্ষ সহায়তায় কামরুল সৌদি আরবে পালিয়ে যাওয়ার পর সেখানে প্রবাসী বাংলাদেশীদের হাতে আটক হয়। সামিউল আলম রাজন সিলেট নগরীর কুমারগাঁও বাসস্ট্যান্ডের পাশে সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের বাদে আলী গ্রামের বাসিন্দা। স্থানীয় অনন্তপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণী পর্যন্ত পড়ালেখা করা রাজন সবজি বিক্রি করত।

নিউজটি শেয়ার করুন

181 বার মোট পড়া হয়েছে সংবাদটি
error: আপনি কি খারাপ লোক ? কপি করছেন কেন ?? হাহাহ