জুলাই ২৪, ২০১৫ ১:৩২ পূর্বাহ্ণ

রাজনকে পিটিয়ে হত্যার কথা আদালতে স্বীকার করেছেন আলী


কুলাউড়া সংবাদ শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০১৫ ॥

সিলেট: শিশু সামিউল আলম রাজনকে পিটিয়ে হত্যার কথা আদালতে স্বীকার করেছেন এই মামলার আসামি আলী হায়দার। এ নিয়ে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দুই প্রত্যক্ষদর্শীসহ মোট ৭ জন আদালতে জবানবন্দি দিলেন।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টা থেকে প্রায় সোয়া ২ ঘণ্টা মহানগর হাকিম প্রথম আদালতের বিচারক শাজেদুল করিমের আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন আলী হায়দার।

আলী হায়দারের জবানবন্দির বরাত দিয়ে তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক সুরঞ্জিত তালুকদার বলেন, ‘শিশু সামিউল আলম রাজনকে খুঁটিতে বাঁধার সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না আলী হায়দার। চোর আটকের কথা বলে ছোট ভাই কামরুল তাকে ফোন করে কুমারগাঁওয়ে নেন। আলী ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে পান কামরুল ও ময়না চৌকিদারসহ কয়েকজন মিলে রাজনকে বেঁধে পেটাচ্ছে। রাজনকে দেখিয়ে কামরুল বলেন, এটা চোর। এরপর আলীও মারধরে অংশ নেন।’

তদন্ত কর্মকর্তা সুরঞ্জিত জানান- জবানবন্দিতে আলী হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ অনেক তথ্য দিয়েছে। কিন্তু তদন্তের স্বার্থে এখন তা প্রকাশ করা সম্ভব হবে না।

এরআগে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন- আলী হায়দারের ভাই মুহিদ আলম, ময়না চৌকিদার, দুলাল মিয়া, ভিডিওচিত্র ধারণকারী নূর আহমদ, প্রত্যক্ষদর্শী ঘটনাস্থলের পার্শ্ববর্তী বাসার আজমত ও ফিরোজ।

প্রসঙ্গত, গত ৮ জুলাই সিলেট শহরতলীর কুমারগাঁওয়ে চোর অপবাদ দিয়ে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে পিটিয়ে খুন করা হয় ১৩ বছরের শিশু সামিউল আলম রাজনকে। সে কান্দিগাঁও ইউনিয়নের বাদেয়ালি গ্রামের মাইক্রোবাস চালক আজিজুল ইসলামের ছেলে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

165 বার মোট পড়া হয়েছে সংবাদটি
error: আপনি কি খারাপ লোক ? কপি করছেন কেন ?? হাহাহ