নভেম্বর ২, ২০১৫ ৭:৩৯ পূর্বাহ্ণ

মহসিন আলীর আসনে মনোনয়ন পেতে পারেন বি,করিম


কুলাউড়া সংবাদ ডেস্ক : সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০১৫॥ মৌলভীবাজার-৩ আসনের উপনির্বাচনে মনোনয়ন পেতে পারেন প্রয়াত সমাজকল্যাণ মন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলীর ঘনিষ্ঠজন হিসাবে পরিচিত সৈয়দ বজলুল করিম। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) এ আসনের তফসিল ঘোষণার পর সৈয়দ বজলুল করিম মনোয়ন পাওয়ার গুঞ্জণ চাউর হতে থাকে। তিনি মনোনয়ন পেতে পারেন এমনটাই নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র। সৈয়দ মহসিন আলীর মৃত্যুর পর সৈয়দ বজলুল করিম নির্বাচনী মাঠে নামছেন,নামবেন এমন কানাঘুষা চলছিল নির্বাচনী আসন জুড়ে। পর্দার আড়ালে থাকা পুলিশের সাবেক ওই কর্মকর্তাকে নিয়ে মৌলভীবাজারে বেশ আগে থেকেই ছিল এই গুঞ্জন। রাজনৈতিক মহলের কর্তা ব্যক্তিদের ছিল সতর্ক চোখও। সেই জল্পনা,গুঞ্জন সত্যি করে গত ঈদের পর পরই মৌলভীবাজারের নির্বাচনী মাঠে নামেন তিনি। মৌলভীবাজার জেলা সদর সহ জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে সবাই তাকে বি-করিম নামেই চিনেন। তিনি ছিলেন প্রয়াত সমাজকল্যাণ মন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলীর ঘনিষ্ঠজনও। মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠজন হওয়ায় মন্ত্রীর সঙ্গে সর্বত্র ছিল তাহার পদচারনা। এ কারণে মৌলভীবাজারে সৈয়দ মহসিন আলীর শূন্যস্থান পূরণ করতে মনেপ্রাণে রাজনীতিবিদ হওয়ার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে চষে বেড়াতে শুরু করেন নির্বাচনী ময়দান। তাকে নিয়ে খোদ আওয়ামী লীগের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতারা সরব হয়ে উঠেন। কেউ কেউ তাকে নীরব সমর্থন জানান। মনোনয়ন প্রত্যাশী আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ-সংগঠনের ডর্জন খানেক বাঘা বাঘা নেতাকে টপকিয়ে বি করিম ভাগিয়ে নিতে পারেন আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন। তফসিল ঘোষণার পর নিরব এমন জল্পনা শুরু হয়েছে সর্বত্র।
মৌলভীবাজার-৩ আসন শূণ্য ঘোষণার আগ থেকেই নির্বাচনী প্রচারণায় নামেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। জেলা আওয়ামী লীগের বড় একটি অংশ এ আসনে দেখতে চান প্রয়াত সমাজকল্যাণ মন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলীর উত্তরসূরী হিসেবে তাহার সহধর্মীনি সৈয়দা সায়রা মহসিনকে। গত ২৮ সেপ্টেম্বর মৌলভীবাজার সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ ও পৌর আওয়ামীলীগের (একাংশের) যৌথ উদ্যোগে তৃণমূল নেতাকর্মীদের নিয়ে বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। শহরের শ্রীমঙ্গল রোডের দর্জির মহলস্থ মন্ত্রীর বাস ভবনে আওয়ামীলীগের অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ওই দলীয় সভায় সদর উপজেলা তৃণমুল সভায় প্রয়াত সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর সহধর্মীনি সৈয়দা সায়রা মহসীনকে দলীয় একক প্রার্থী ঘোষণা করেন। কিন্তু এ ঘোষনার পর মন্ত্রীর অনুসারী ও ঘনিষ্ঠজন হিসাবে পরিচিত বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক এডিশন্যাল আইজি সৈয়দ বজলুল করিম(বি-করিম),কেন্দ্রীয় সেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুব্রত পুরকায়স্থ, সাবেক ব্রিটিশ কাউন্সিলর এম এ রহিম (সিআইপি),সাবেক ছাত্রনেতা আব্দুল মালিক তরফদার সুয়েব (ওরফে ভিপি সুয়েব),জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক নেছার আহমদ,জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও চেম্বার অব কর্মাসের সভাপতি মো:কামাল হোসেন,এনআরবি কর্মাশিয়াল ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও প্রকৌশলী ফরাসত আলী,সাবেক ছাত্রনেতা লন্ডন প্রবাসী আব্দুল আহাদ চৌধুরীসহ একাধিক নেতা নিজেকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা ও নির্বাচনী মাঠে প্রচারণায় নামলে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে দেখা দেয় নানা প্রশ্ন। এদিকে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে মৌলভীবাজার-৩ শূন্য আসনের উপ-নির্বাচনে তফসিল ঘোষনার পর রাতেই ঢাকার গাড়ি ধরেন মনোনয়ন প্রত্যাশী সম্ভাব্য অনেক প্রার্থী। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে,দলীয় মনোনয়ন ভাগিয়ে নিতে লবিং করার পাশাপাশি উপ-নির্বাচনে প্রার্থী হতে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহে তারা ঢাকা ছুটে গেছেন। এ আসনে সংসদের প্রধান বিরোধীদল জাতীয় পাটির কোন প্রার্থীর দলীয় ঘোষণা বা প্রচারণা এখনও পরিলতি না হলেও আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের ভিড়ে রয়েছেন অনেক লন্ডন প্রবাসী প্রার্থীরা। যারা মহসিন আলীর মৃত্যুর পর পরই কমড় বেঁধে মাঠে নামেন প্রচারণায়। মতাসীন আওয়ামীলীগের প্রায় হাফ ডজনের উপরে নেতারা নিজেকে প্রার্থী ঘোষণা করায় দলের অভ্যন্তরে ও তৃণমূলে কর্মী সমর্থকদের মাঝে ধুম্রজালের সৃষ্টি হয়। উপ-নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি নির্বাচনে না এলে আওয়ামীলীগের প্রার্থীদের মধ্যেই ভোটযুদ্ধ হবে এমনটাই মনে করছেন সাধারণ ভোটাররা। এদিকে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নির্বাহী কমিটির ওয়াকিবহাল মহলে বি করিমকে মনোনয়ন %E

নিউজটি শেয়ার করুন

413 বার মোট পড়া হয়েছে সংবাদটি
error: আপনি কি খারাপ লোক ? কপি করছেন কেন ?? হাহাহ