জুলাই ১৭, ২০১৫ ৩:১৫ অপরাহ্ণ

ভোলায় ২৫ ও মাদারীপুরের ৩০ গ্রামে ঈদ উদযাপিত


কুলাউড়া সংবাদ, শুক্রবার , ১৬ জুলাই ২০১৫ ::

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ভোলার ৫ উপজেলার অন্তত ২৫ গ্রামের কয়েক হাজার পরিবার শুক্রবার ঈদুল ফিতর উদযাপন করছে।

শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় জেলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার মুলাইপত্তন গ্রামের মজনু মিয়ার বাড়িতে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। জেলার ভোলা সদর, বোরহানউদ্দিন, দৌলতখান, লালমোহন ও চরফ্যাশন উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে শত শত মুসল্লিরা এসে জামাতে অংশগ্রহণ করেন।

জামাতের ইমামতি করেন, সুরেশ্বরী পীরের খলিফা মো. মজনু মিয়া। সাতকানিয়া পীরের অনুসারীদের পাশের গ্রামের চৌকিদার বাড়ির জামে মসজিদে দ্বিতীয় জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল সাড়ে ১০টায়। সেখানেও শত শত মুসল্লিরা অংশগ্রহণ করেন। নামাজ শেষে একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলীর মাধ্যমে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

এ বিষয় সুরেশ্বরী পীরের খলিফা মো. মজনু মিয়া বলেন, ‘আল্লাহ এক। পৃথিবীর যে কোনো স্থানে চাঁদ দেখা গেলে ঈদ বা কোরবানি করা যাবে। আমরা মুসলিম জাহানের সবারই উচিত একসঙ্গে ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করা।

মাদারীপুর: মাদারীপুরের চারটি উপজেলার ৩০টি গ্রামের হযরত সুরেশ্বরী (রা.) অনুসারীরা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে শুক্রবার ঈদ-উল ফিতর উদযাপন করছে।

জেলার বেশ কয়েকটি স্থানে ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হলেও প্রধান ও বড় জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে সদর উপজেলার তাল্লুক গ্রামে। সকাল ৯টায় জামাত অনুষ্ঠিত হবার কথা থাকলেও বৃষ্টির কারণে বেলা ১২টার দিকে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

সৌদি আরবসহ মধ্য প্রাচ্যের ৬৯টি দেশে চাঁদ দেখা যাওয়ায় শুক্রবার ওইসব দেশে ঈল-উল ফিতর উদযাপন করছে। তাই সৌদি আরবসহ মধ্য প্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে সুরেশ্বর দায়রা শরিফের প্রতিষ্ঠাতা হযরত জান শরিফ শাহ্ সুরেশ্বরী (রা.) এর মাদারীপুরের ভক্ত ধর্মপ্রাণ মুসলমান আজ ঈদ-উল ফিতর উদযাপন করছে।

৪টি উপজেলার ৩০ গ্রামের অর্ধলক্ষাধিক ধর্মপ্রাণ মুসলমান বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ঈদ-উল-ফিতর উদযাপন করেছে।

সুরেশ্বর দায়রা শরিফের প্রতিষ্ঠাতা হযরত জান শরীফ শাহ্ সুরেশ্বরী (রা.) এর অনুসারীরা ১৪৪ বৎসর আগে থেকে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে রোজা রাখেন এবং ঈদ-উল-ফিতর ও ঈদ-উল আযহা পালন করে আসছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

221 বার মোট পড়া হয়েছে সংবাদটি
error: আপনি কি খারাপ লোক ? কপি করছেন কেন ?? হাহাহ