আগস্ট ২৭, ২০১৫ ১১:৫৭ অপরাহ্ণ

পিঁয়াজের ঝাঁঝ ঠেকাতে সুদ হারে লাগাম টানলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক


পিঁয়াজ আমদানির জন্য দেয়া ব্যাংক ঋণের সুদের হার সর্বোচ্চ ১১ শতাংশে বেঁধে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে ঋণ-মার্জিন অনুপাত ব্যাংকার গ্রাহক সর্ম্পকের ভিত্তিতে ন্যূনতম পর্যায়ে রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। দেশীয় বাজারে পিঁয়াজের সরবরাহ নিশ্চিত করতেই এ নির্দেশনা জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক জারিকৃত এক সার্কুলারে দেশে কার্যরত প্রত্যেকটি তফসিলি ব্যাংককে এ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, ‘সাম্প্রতিককালে আন্তর্জাতিক বাজারে পিঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধির কারণে স্থানীয় বাজারেও পিঁয়াজের মূল্যে ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ফলে বাজারে ভোক্তা পর্যায়ে পেঁয়াজের সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য হিসেবে স্থানীয় বাজারে পিঁয়াজের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত ও পিঁয়াজের মূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধকল্পে পিঁয়াজ আমদানি অর্থায়নের সুদ হার সর্বোচ্চ ১১ শতাংশ নির্ধারণ করা হলো।’

এ নির্দেশনা ৩০ ডিসেম্বর ২০১৫ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

উল্লেখ্য, পিঁয়াজ আমদানিতে ব্যাংকগুলো ১০০ শতাংশ মার্জিন ঋণ প্রদান করে; যেখানে সুদহার ১৮ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত। জানা যায়, পিঁয়াজ আমদানিকারকদের সুবিধার্থে ব্যাংক ঋণের সুদের হার এবং এলসি (ঋণপত্র) মার্জিন কমানোর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংককে এক চিঠির মাধ্যমে অনুরোধ জানায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। আসন্ন ঈদ-উল-আজহায় স্থানীয় বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ কমে গিয়ে দাম আরো বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করে চিঠিতে আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পেঁয়াজ আমদানির ক্ষেত্রে ব্যাংক ঋণের সুদহার সর্বোচ্চ ১১ শতাংশ নির্ধারণসহ এলসির মার্জিন সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে আনার অনুরোধ জানানো হয়।

গেল রোজার ঈদের আগে প্রতি কেজি পিঁয়াজ সর্বোচ্চ ৪০ টাকায় বিক্রি হলেও ঈদের পর অস্থির হয়ে ওঠে পিঁয়াজের বাজার। এখন প্রতি কেজি পিঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮৫ থেকে ৯০ টাকায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

241 বার মোট পড়া হয়েছে সংবাদটি
error: আপনি কি খারাপ লোক ? কপি করছেন কেন ?? হাহাহ