জুলাই ৩০, ২০১৫ ১০:৩৯ পূর্বাহ্ণ

টেকনাফ ও সেন্টমার্টিনের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, একজনের মৃত্যু


প্রবল ঝড়ো হাওয়ায় প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিন লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। প্রচন্ড বাতাসে কাঁচা ঘড়বাড়ি উড়ে গেছে।ধসে পড়েছে দ্বীপের অধিকাংশ গাছপালা। নোঙর ছিঁড়ে হারিয়ে গেছে সাগরতীরে অবস্থানরত নৌকা-ট্রলার।

 

বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে প্রবল ঝড়ো হাওয়া শুরু হয়ে সকাল ৮টায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত থেমে থেমে বাতাস বইছে, সাথে বৃষ্টিপাতও হচ্ছে। দ্বীপের পশ্চিমপাড়ায় গাছচাপায় সকাল ৬টার দিকে মো. ইসলাম (৫০) নামে এক ব্যক্তি মারা গেছে। ঝড়ে আহত হয়েছেন আরও ২০ জন।

 

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সাগরে জোয়ারের পানি বাড়তে শুরু করেছে। ইতিমধ্যে নীচু এলাকায় পানি ঢুকে পড়েছে। জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা করছে দ্বীপবাসি। প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান জানান, দ্বীপের ৯০ শতাংশ ঘরবাড়ী ও গাছপালা ধ্বংস হয়ে গেছে। ঘর থেকে বাইর হওয়ারও সুযোগ নেই। জীনের নিরাপত্তা নিয়ে চরম ঝুঁকিতে রয়েছে দ্বীপবাসী। প্রচুর পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে। এর পরিমাণ নির্ণয় করা যাবেনা।

 

স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই হারুনর রশিদ জানান, আমরা বের হওয়ার সাহসও পাচ্ছিনা। আপাতত কিছুই করা যাচ্ছেনা। বাতাস থামলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। লোকজনকে নিরাপদে অবস্থান করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

 

এদিকে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিন্মচাপের কারণে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার উপকূলীয় এলাকায় ৭ নম্বর বিপদ সংকেত এবং মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরে ৫ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেট জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলার এবং সমুদ্রগামী জাহাজকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

 

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট মৌসুমী নিম্নচাপের কারণে সাগর উত্তাল রয়েছে। কক্সবাজার সমুদ্র উপকূল থেকে ১৮৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে নিম্নচাপটি অবস্থান করছিল। এটি ঘন্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে কক্সবাজারের দিকে এগিয়ে আসছে বলে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে। বিকেলে উপকূলে আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড়টি।

নিউজটি শেয়ার করুন

165 বার মোট পড়া হয়েছে সংবাদটি
error: আপনি কি খারাপ লোক ? কপি করছেন কেন ?? হাহাহ