জুন ১৪, ২০১৫ ৯:১৩ অপরাহ্ণ

উপজেলায় সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ভোট সোমবার


দেশের উপজেলাগুলোতে সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামীকাল ১৫ জুন সোমবার। তবে ইতোমধ্যে ৯৬ উপজেলায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৩০১ জন নির্বাচিত হয়েছে। ১৬ আসনে নেই কোনো প্রার্থী। বাকি ৩৭৭ উপজেলায় ১ হাজার ২৪৫ আসনে এ ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে গত ১৪ মে নির্বাচনের জন্য এদিনটি নির্ধারণ করে তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদের সাধারণ নির্বাচনের দেড় বছর পর এই প্রথম সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ নির্বাচনে মধ্য দিয়ে পূর্ণাঙ্গ হচ্ছে উপজেলা পরিষদ।

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাচন কমিশনার জাবেদ আলী বলেন, ‘উপজেলা পরিষদ চালুর পর প্রথমবারের মতো সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ভোটগ্রহণের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। এতে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ও পৌরসভার সংরক্ষিত নারী জনপ্রতিনিধিরা ভোট দিয়ে উপজেলার সংরক্ষিত নারী প্রতিনিধি নির্বাচিত করবেন।

আর আগামী বছরের শুরুতে ইউপি ও পৌর নির্বাচন পর্যন্ত উপজেলায় নবনির্বাচিত নারী সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।

ইসি সচিবালয়ের জনসংযোগ পরিচালক এসএম আসাদুজ্জামান জানান, সারাদেশের পৌনে পাঁচশ’ উপজেলার মধ্যে ৯৬টি উপজেলায় ৩০১ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া ১০টি উপজেলার ১৬টি আসনে কোনো প্রার্থী নেই। এসব আসনে পুনরায় তফসিল ঘোষণা করবে ইসি।

তিনি জানান, সোমবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ২টা পর্যন্ত প্রতিটি উপজেলা পরিষদের একটি কেন্দ্রে এ ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এক্ষেত্রে ৩৭৭টি উপজেলার ১ হাজার ২৪৫টি আসনে ভোট হবে।
এতে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী রয়েছে ২ হাজার ৫৩৬ জন। মোট ভোটার রয়েছে ১১ হাজার ১৬৮ জন।

এদিকে, প্রথমবারের মতো উপজেলা পরিষদে সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে পূর্ণাঙ্গ তথ্য সংগ্রহ করতে সমস্যা হচ্ছে বলে জানায় ইসি কর্মকর্তারা। মাট পর্যায় থেকে যারা তথ্য পাঠাচ্ছে তারা একেক সময় একেক রকম পরিসংখ্যান দিচ্ছেন। এক কারণে তথ্য একীভূত করতে ঝামেলা হচ্ছে। তবে ভোট শেষে সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ তথ্য দেয়া যাবে বলে জানান ইসি কর্মকর্তারা।

উপজেলা নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ী, ইউনিয়ন পরিষদ এবং পৌরসভার সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলররা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্য থেকে একজনকে ভোট দিয়ে উপজেলা পরিষদের নারী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত করবেন।

প্রসঙ্গত, এ পর্যন্ত চারবার উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে মেয়াদ পূর্ণ করেছে তিনটি পরিষদ। কিন্তু নির্বাচিত কোনো পরিষদই সংরক্ষিত নারী সদস্য পায়নি। সংরক্ষিত আসনে এবার নির্বাচন হলে স্থানীয় এ সরকার ব্যবস্থাটি পূর্ণাঙ্গ রূপ পাবে। তবে এ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিতদের মেয়াদ হবে মাত্র বছর খানেক।

নিউজটি শেয়ার করুন

error: আপনি কি খারাপ লোক ? কপি করছেন কেন ?? হাহাহ