জুন ২৮, ২০১৫ ১১:২২ অপরাহ্ণ

সিলেট নগরীতে গ্যাসের পাইপে মিথেন গ্যাস!


সিলেট নগরীর আম্বরখানা সেন্ট্রাল পয়েন্ট থেকে চৌহাট্টা পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার এলাকায় মিথেন (জ্বালানি) গ্যাসের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। মাটির নিচে পাশাপাশি প্রবাহমান গ্যাস ও পানির লাইনে লিকেজের ফলে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এ নিয়ে সিলেট সিটি কর্পোরেশন ও জালালাবাদ গ্যাস যৌথভাবে কাজ করছে বলে উভয় প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

জালালাবাদ গ্যাসের জেনারেল ম্যানেজার সোয়েব মতিন জানান, এই পানির লাইন ও গ্যাস লাইন ১৯৮০ সালে তৈরি। পুরনো এ দুটি লাইন লিকেজ হয়ে যাওয়ার কারণে এ সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে বলে তারা ধারণা করছেন। তবে, কোন জায়গায় লিকেজ হয়েছে-তা চিহ্নিত করা যাচ্ছে না। এ জন্য জালালাবাদ গ্যাস ও সিটি কর্পোরেশন যৌথভাবে কাজ করছে।

তিনি বলেন, গ্যাস সাপ্লাই হচ্ছে কন্টিনিউয়াস। আর পানি সাপ্লাই দেওয়া হয় নির্ধারিত সময়ে। পানির সঙ্গে গ্যাস বের হলে যে কোনও সময় আগুন ধরে যেতে পারে। এ জন্য জালালাবাদ গ্যাসের কর্মকর্তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে সংশ্লিষ্ট এলাকার লোকজনকে সতর্ক করছেন। পাশাপাশি আমরা বিষয়টির ওপর সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখছি। শনিবার রাতে গ্যাস ও সিটি কর্পোরেশনের উচ্চ পর্যায়ের একটি টিম ওই এলাকা পরিদর্শন করবে বলে তিনি জানান। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, বৃহস্পতিবার তিনি সমস্যাটি সম্পর্কে জেনেছেন।

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের পানি শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী আলী আকবর জানান, ৭/৮ দিন আগ থেকে ওই এলাকার পানিতে গ্যাসের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। এ নিয়ে সিটি কর্পোরেশন ও জালালাবাদ গ্যাস যৌথভাবে কাজ করছে। পানি ও গ্যাস লাইন একত্রে লিকেজ হওয়ায় এ সমস্যা দেখা দিয়েছে। সমস্যা সমাধানে তারা আন্তরিক রয়েছেন বলে তিনি জানান। প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে পানি সরবরাহ করা হয়। তবে, রমজানে সকাল ও রাতে সরবরাহ করা হচ্ছে এ পানি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চৌহাট্টা এলাকার এক ব্যবসায়ী জানান, প্রায় দুই আড়াই মাস আগ থেকেই তারা পানিতে গ্যাসের গন্ধ পচ্ছে। বিষয়টি তাৎক্ষণিক সিটি কর্পোরেশনকে জানানোর পরও কোন ফল হয়নি।

আম্বরখানা এলাকার জালালাবাদ সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গত ১৫ দিন ধরে পানি নেই। পানির লাইন ছাড়লে পানির সঙ্গে বুদ বুদ করে গ্যাস বের হচ্ছে। যে কোনও সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে এই আশংকায় পানির লাইনটি পুরোপুরি বন্ধ করে রাখা হয়েছে বলে জানান ফিলিং স্টেশনের কর্মকর্তা শ্রীবাস দাস। বিষয়টি জালালাবাদ গ্যাস ও সিটি কর্পোরেশনকে জানানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

202 বার মোট পড়া হয়েছে সংবাদটি
error: আপনি কি খারাপ লোক ? কপি করছেন কেন ?? হাহাহ