মার্চ ১৬, ২০১৬ ১২:৩৭ অপরাহ্ণ

সিলেটে খুন, অভিযুক্ত অর্থমন্ত্রীর বিশেষ সহকারীর ভাই


অর্থমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী জাভেদ সিরাজের ছোট ভাই যুবলীগ নেতা জামশেদ সিরাজের ছুরিকাঘাতে বিপ্লব রায় নামের এক যুবক মারা গেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ছুরির আঘাতে আহত হয়েছেন আরও দুই যুবক।

নিহত বিপ্লব রায় (২৯) মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তিনি নগরীর মেজরটিলা এলাকার বিজয় রায়ের ছেলে।

আহতরা হচ্ছেন রায়নগরের বাসিন্দা সুমন দের ছেলে প্রীতম দে (২৪) ও শ্রমিকলীগ নেতা হরিলাল দাসের ছেলে অনন্ত লাল দাস (২৫)।

নিহতের স্বজনরা জানান, বিপ্লব রায় দীর্ঘদিন নগরীর রায়নগর এলাকায় বসবাস করেছেন। কিন্তু কয়েক মাস আগে তিনি নগরীর মেজরটিলা এলাকায় চলে যান। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে তার বন্ধু প্রীতম দে ও অনন্ত লাল দাসের সঙ্গে দেখা করতে রায়নগর পয়েন্টে আসেন। এ সময় তারা তিনজন মিলে রায়নগর পয়েন্টেই আড্ডা দিচ্ছিলেন।

কিন্তু হঠাৎ করে রাত সোয়া ১২টার দিকে অর্থমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী জাভেদ সিরাজের ছোট ভাই যুবলীগ নেতা জামশেদ সিরাজ তাদের ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাত করেন। পরে বিপ্লব, প্রীতম ও অনন্তকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। রাত দেড়টার দিকে মারা যান বিপ্লব রায়।

আহত প্রীতম ওসমানী মেডিকেলের ৪র্থ তলার ৫ নং ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন। তবে আহত অনন্ত লাল দাসকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

অনন্ত লাল দাস  জানিয়েছেন, বিপ্লব রায়ের ভাতিজিকে উত্ত্যক্ত করত যুবলীগ নেতা জামশেদ সিরাজ অনুসারী কয়েকজন যুবক। এ নিয়ে আগেও একবার ঝামেলা হয়েছিল। কিন্তু বিষয়টি মীমাংসা হয় নাই। ওই ঘটনার জের ধরেই জামশেদ সিরাজ তাদের ওপর হামলা চালিয়েছেন বলে ধারণা করছেন তিনি।

যুবলীগ নেতা জামশেদ সিরাজের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

তবে তার বড় ভাই ১৮ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও অর্থমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী জাভেদ সিরাজ বলেন, ‘আমার ভাই এই ঘটনার সাথে কোনোভাবেই যুক্ত নয়, সে উল্টো আহতদের হাসপাতালে নিয়ে গেছে।’

এ ব্যাপারে সিলেট কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল আহমদ বলেন, ‘রায়নগরে একটি খুন হয়েছে। তবে কী কারণে হয়েছে তা এখনো জানা যায়নি।’

নিউজটি শেয়ার করুন

382 বার মোট পড়া হয়েছে সংবাদটি
error: আপনি কি খারাপ লোক ? কপি করছেন কেন ?? হাহাহ