এপ্রিল ২৪, ২০১৬ ১:৫৩ অপরাহ্ণ

তৃতীয় ধাপেও সিলেট বিভাগে সরকারি দলের প্রাধান্য


সিলেট প্রতিনিধি ॥ ইউনিয়ন নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে শনিবার সিলেট বিভাগের ৭ উপজেলার ৬১ ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনী ফলাফলে-চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা ২৩টি , বিএনপি প্রার্থীরা ১৬টি ইউনিয়নে বিজয়ী হয়েছেন। এছাড়া, চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ৬ জন, বিএনপি’র বিদ্রোহী ৩ জন, জাতীয় পার্টির একজন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের ২ জন এবং ১০ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।
জৈন্তাপুর:১নং নিজপাট ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মঞ্জুর এলাহী স¤্রাট নৌকা প্রতীক নিয়ে ৫৮২৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন৷ তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি’র ইন্তাজ আলী ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ৩৯৮১ ভোট পেয়েছেন।
২নং জৈন্তাপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগের মোঃ এখলাছুর রহমান নৌকা প্রতীক নিয়ে ৫০৫৭ ভোটে বিজয়ী হয়েছেন৷ তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের আলমগীর হোসেন ৪০৫০ ভোট পেয়েছেন।
৩নং চারিকাটা ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহ আলম চৌধুরী তোফায়েল আনারস প্রতীকে ৩৮৫৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন৷ তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সুলতান করিম ঘোড়া প্রতীক নিয়ে ৩০৯৫ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় হয়েছেন।
৪নং দরবস্ত ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে বিএনপির প্রার্থী বাহারুল আলম বাহার ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ৮১৫৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন৷ তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান চেয়ারম্যান কামাল আহমদ নৌকা প্রতীকে ৬৮৮৪ ভোট পেয়েছেন।
৫ নং ফতেহপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে বিএনপির প্রার্থী মোঃ আব্দুর রশিদ ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ৫৩৮৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন৷ তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকা প্রতীকের মোঃ রফিক আহমদ ৩০০৯ ভোট পেয়েছেন।
৬ নং চিকনাগুল ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী  আমিনুর রশিদ আনারস প্রতীক নিয়ে ৪২৮৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন৷ তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী ও  বর্তমান চেয়ারম্যান এবিএম জাকারিয়া ৩৪০০ ভোট পেয়েছেন।  সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
কানাইঘাট প্রতিনিধি জানান, কানাইঘাটের ৯টি ইউনিয়নের বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী-চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের ৪ জন, বিএনপি’র একজন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের একজন, বিএনপি’র বিদ্রোহী একজন এবং দুজন স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।
প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী-১নং লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান ডাক্তার ফয়াজ উদ্দিন (ঘোড়া) প্রতীকে ৪০৯৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী আলাউদ্দিন মড়াই পেয়েছেন ৩২১১।
২নং লক্ষীপ্রসাদে আওয়ামীলীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী জেমস্ লিও ফারগুসন নানকা (নৌকা) ৩৪৬১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।  নিকটতম লাঙ্গল প্রতীকের এডভোকেট আব্দুর রহিম ৩২৪৪ ভোট পেয়েছেন।
৩নং দিঘীরপাড় পূর্ব ইউনিয়নে আ’লীগ সমর্থিত আলী হোসেন কাজল (নৌকা) ৪১৮৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম বিএনপির আলতাফ হোসেন ৩১০৭ ভোট পেয়েছেন।
৪নং সাতবাঁকে আ’লীগ সমর্থিত মস্তাক আহমদ পলাশ (নৌকা) ২৯৩২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম চশমা প্রতীকের বর্তমান চেয়ারম্যান মাস্টার ফয়জুল ইসলাম ২২৩৯ ভোট পেয়েছেন।  ৫নং বড়চতুলে জমিয়ত সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী মাওলানা আবুল হোসেন (চশমা)  ৩৫২২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম ধানের শীষের আব্দুল মালিক চৌধুরী ২২৮০ ভোট পেয়েছেন। ৬নং সদর ইউপিতে বিএনপি সমর্থিত সিলেট জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় সহ-সম্পাদক মামুনুর রশিদ মামুন (ধানের শীষ) ৩৮১৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলাম ৩২৭০ ভোট পেয়েছেন।  ৭নং দক্ষিণ বাণীগ্রাম ইউপিতে আ’লীগ সমর্থিত মাসুদ আহমদ (নৌকা) ৩৪৪৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের শাহাব উদ্দিন ২৮৬৫ ভোট পেয়েছেন। ৮নং ঝিঙ্গাবাড়ী ইউপিতে বিএনপি’র বিদ্রোহী আব্বাস উদ্দিন(টেলিফোন) ২৯৭৮ ভোট পেয়েছেন। নিকতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের হারুন রশীদ (ঘোড়া) ২৮৬৯ ভোট পেয়েছেন। ৯নং রাজাগঞ্জ ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী ফখরুল ইসলাম (চশমা) ২৮৪৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।  নিকটতম জমিয়তের খেজুর গাছের মাওলানা শামছুল ইসলাম ২৩৪৯ ভোট পেয়েছেন। ইউএনও তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া রাত সাড়ে ১২টায় ফলাফল ঘোষণা করেন।

সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি জানান, সুনামগঞ্জ সদর  উপজেলা, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ ও দোয়ারাবাজার উপজেলার ২৬ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ ৭, বিএনপি ৮ ,স্বতন্ত্র ২, জাপা ১, জমিয়ত ১, আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী ৫ ও বিএনপি বিদ্রোহী প্রার্থীরা ২টি পদে বিজয়ী হয়েছেন। গতকাল শনিবার রাতে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসাররা ফলাফল ঘোষণা করেন।
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের মধ্যে আওয়ামী লীগ ২, বিএনপি ৪, জাপা ১, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ১, স্বতন্ত্র একজন প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।
এ উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. ফুল মিয়া, কাঠইর ইউনিয়নে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম মনোনীত প্রার্থী শামছুল ইসলাম, রঙ্গারচর ইউনিয়নের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আব্দুল  হাই, কুরবান নগর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল  বরকত, মোহনপুর ইউনিয়নে জাপা মনোনীত প্রার্থী নূরুল হক, লক্ষণশ্রী ইউনিয়নে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আব্দুল ওদুদ, সুরমা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আব্দুস ছত্তার ডিলার, জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মোকসেদ আলী ও মোল্লাপাড়া ইউনিয়নে বিএনপি’র বিদ্রোহী নূরুল হক বিজয়ী হয়েছেন।
দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার ৮ টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ ৩, বিএনপি ১, আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী ২, বিএনপি বিদ্রোহী ১ ও স্বতন্ত্র একজন প্রার্থী বিজয়ী হয়েছে। এর মধ্যে-দরগাহ পাশা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনির উদ্দিন, পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী নূরুল হক, পূর্ব পাগলা ইউনিয়নে বিএনপি বিদ্রোহী প্রার্থী আখতার হোসেন, জয়কলস আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মাসুদ মিয়া, শিমুলবাক ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান, পূর্ববীর গাঁও ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী নূর আলম, পশ্চিম বীরগাঁও ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী শফিকুল ইসলাম ও পাথারিয়া ইউনিয়নে বিএনপি প্রার্থী আমিনুল ইসলাম আমিন।
দোয়ারাবাজার প্রতিনিধি জানান,দোয়ারাবাজারের ৯টি ইউনিয়নের মধ্যে-আওয়ামী লীগ-২ বিএনপি ৩, আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী ৩ ও বিএনপি বিদ্রোহী ১ জন প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। এর মধ্যে দোয়ারাবাজার সদর ইউনিয়নে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এম এ বারী ৪৪২১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।  তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী হাজী আব্দুল খালেক  (মোটর সাইকেল) ৩৬৯৬ ভোট পেয়েছেন। নরসিংপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী  একেএম আয়ুবুর রহমান রহমানী (ঘোড়া) ৩০৯৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম বিএনপি’র শামছুল হক নমু ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন-২৮৩৩ ভোট। বাংলাবাজার ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী প্রার্থী জসিম উদ্দিন (মোটর সাইকেল) ৬ হাজার ১২৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকা প্রতীকের আবুল হোসেন ৪৫৯৭ ভোট পেয়েছেন। মান্নারগাঁও ইউনিয়নে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবু হেনা আজিজ (ধানের শীষ) ৪৮২২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম আওয়ামী লীগের বরুণ চন্দ্র দাস ৪৩৭৬ ভোট পেয়েছেন। পান্ডারগাঁও ইউনিয়নে বিএনপি বিদ্রোহী প্রার্থী ফারুক আহমদ (ঘোড়া) ২৫২৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান চেয়ারম্যান নৌকা প্রতীকের আব্দুল ওয়াহিদ ২৪২৫ ভোট পেয়েছেন। দোহালিয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের আনোয়ার মিয়া আনু ৪৪৬১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী শামীমুল ইসলাম শামীম (টেলিফোন) ৩২০০ ভোট পেয়েছেন। লক্ষীপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী আমিরুল হক (আনারস) ৩,১৬৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি’র বিদ্রোহী হারুনুর রশীদ (মোটরসাইকেল) ১৯৭৫ ভোট পেয়েছেন। বগুলা বাজার ইউনিয়নে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আরিফুল ইসলাম জুয়েল (ধানের শীষ) ৩৯৮৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান চেয়ারম্যান ও  বর্তমান চেয়ারম্যান আহমদ আলী আপন (মোটর সাইকেল) ২৮৫৬ ভোট পেয়েছেন। সুরমা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের খন্দকার মামুনুর রশিদ (নৌকা) প্রতীকে ৩১৫৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি’র হারুনুর রশীদ (ধানের শীষ) ৩০৮৫ ভোট পেয়েছেন।
রাত ১টায় উপজেলা নির্বাচন অফিসার সাইফুজ্জামান ফলাফল ঘোষণা করেন।

মৌলভীবাজার থেকে সংবাদদাতা জানান, কুলাউড়ায় শনিবার ৭টি ইউনিয়নে নির্বাচিত অনুষ্ঠিত হয়। চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগের ২ জন, বিএনপি’র ২ জন এবং তিন জন স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।
বরমচাল ইউনিয়নে মোঃ আব্দুল আহবাব চৌধুরী (নৌকা) ৩৮৬১ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল মুক্তাদির মুক্তার (ধানের শীষ) পেয়েছেন ২৪৭৫ ভোট। ভূকশিমইল ইউনিয়নে আজিজুর রহমান (ধানের শীষ) ৪৮৩০ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রফিকুল ইসলাম রেন ু(নৌকা) পেয়েছেন ৪৩৭৭ভোট। জয়চন্ডি ইউনিয়নে কমর উদ্দিন আহমদ কমরু (আনারস) ৭৩৩৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোঃ আব্দুর রব মাহবুব (নৌকা) পেয়েছেন ৬৩৫৫ ভোট। ব্রাহ্মণবাজার ইউনিয়নে মমদুদ হেসেন (নৌকা) ৪৭৪০ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মুহিবুর রহমান (মোটর সাইকেল) পেয়েছেন ৩১৭৮ ভোট। কাদিপুর ইউনিয়নে হাবিবুর রহমান ছালাম (ধানের শীষ) ৪৯৭৯ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আলমগীর আলম হাসান (আনারস) পেয়েছেন ৩০৪৮ ভোট। কুলাউড়া সদর ইউনিয়নে নার্গিস আক্তার বুবলী (আনারস) ২১৮৯ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লুৎফুর রহমান চৌধুরী (নৌকা) পেয়েছেন ১৯৯৩ ভোট। রাউৎগাঁও ইউনিয়নে আব্দুল জলিল জামাল (আনারস) ৪১০২ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল মুহিত সোহেল (ধানের শীষ ) পেয়েছেন ৩২৩৭ ভোট। আগামী ৭ মে অবশিষ্ট ৬টি ইউনিয়নের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, বানিয়াচঙ্গের ১৩ ইউনিয়নের মধ্যে আওয়ামী লীগ ৮, বিএনপি ৩ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ২টি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন।
বানিয়াচং সদর উত্তর-পূর্ব ইউনিয়নে গিয়াস উদ্দিন (বিএনপি), উত্তর-পশ্চিম ইউনিয়নে ওয়ারিশ উদ্দিন খান (বিএনপি), সদর দক্ষিণ-পূর্ব ইউনিয়নে মাওলানা হাবিবুর রহমান (স্বতন্ত্র), সুবিদপুর ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান আবুল কাশেম চৌধুরী (আ’লীগ), মক্রমপুর ইউনিয়নে মো. আহাদ মিয়া (আ’লীগ), পৈলারকান্দি ইউনিয়নে ফজলুর রহমান খান (আ’লীগ), মুরাদপুর ইউনিয়নে মো. মধু মিয়া (বিএনপি), কাগাপাশা ইউনিয়নে এরশাদ আলী (আ’লীগ), খাগাউড়া ইউনিয়নে শাহ শওকত আরেফীন সেলিম (আ’লীগ), মন্দরী ইউনিয়নে শেখ সামছুল হক (আ’লীগ), বড়ইউড়ি ইউনিয়নে হাবিবুর রহমান (আ’লীগ), দৌলতপুর ইউনিয়নে লুৎফুর রহমান (আ’লীগ), পুকড়া ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন (স্বতন্ত্র)।
প্রসঙ্গত, তৃতীয় ধাপে গতকাল শনিবার সিলেট বিভাগের ৭টি উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

error: আপনি কি খারাপ লোক ? কপি করছেন কেন ?? হাহাহ