নভেম্বর ২৬, ২০১৫ ১১:৪২ অপরাহ্ণ

পৌরসভা নির্বাচন : প্রার্থীদের করণীয়


আগামী ৩০ ডিসেম্বর দেশের ২৩৪টি পৌরসভার নির্বাচন। আগামী ৩ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন। মনোনয়নপত্র জেলা/উপজেলা নির্বাচন অফিস হতে বিনামূল্যে সংগ্রহ করা যাবে। তবে মনোনয়নপত্রের সাথে সংশ্লিষ্ট পৌরসভার/ওয়ার্ডের ভোটার তালিকার সিডি ক্রয় করতে হবে। প্রতি ওয়ার্ডের ভোটার তালিকার সিডির মূল্য ৫শত টাকা।
মনোনয়নপত্র তিনটি খন্ডে বিভক্ত। এর মধ্যে প্রথম খন্ডের প্রথম অংশ প্রস্তাবকারী কর্তৃক পূরণ করতে হবে, দ্বিতীয় অংশ সমর্থনকারী কর্তৃক পূরণ করতে হবে এবং তৃতীয় অংশ মনোনীত ব্যক্তি কর্তৃক পূরণ করতে হবে। মনোনয়নপত্রের দ্বিতীয় খন্ডে রয়েছে প্রার্থীর ব্যক্তিগত তথ্যাদি। এছাড়া তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম খন্ড রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক পূরণ করতে হবে।
মনোনয়নপত্রের সাথে যে সকল কাগজপত্র দাখিল করতে হবে তা হল, হলফনামা (প্রার্থীর সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতার সত্যায়িত সনদপত্র), নির্বাচনি ব্যয় নির্বাহ করার জন্য সম্ভাব্য অর্থ প্রাপ্তির উৎস/উৎসসমূহ ও সম্ভাব্য ব্যয়ের বিবরণী, ডিজিটের টিআইএন সনদের কপি এবং সম্পদ বিবরণী সম্বলিত সর্বশেষ দাখিলকৃত আয়কর রিটার্নের রসিদ এর কপি, জামানতের টাকা জমাদনের ট্রেজারি চালান/তফসিলি ব্যাংকের পে-অর্ডার/পোস্টাল অর্ডারের কপি, রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থীর ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন অথবা স্বতন্ত্র প্রার্থীর ক্ষেত্রে প্রার্থিতার স্বপক্ষে ১০০ জন ভোটারের স্বাক্ষরযুক্ত তালিকা।
একজন প্রার্থী শুধুমাত্র একটি পদে নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র দাখিল করতে পারেন, একাধিক পদে নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র দাখিল করলে সব মনোনয়নপত্র বাতিল হবে। তবে একই পদে একাধিক মনোনয়নপত্র দাখিল করতে পারবেন, এক্ষেত্রে জামানতের টাকা শুধু একটি মনোনয়নপত্রের সাথে জমা দিলেই হবে।

প্রস্তাব ও সমর্থনকারীর করণীয়-কোন ভোটার প্রস্তাবকারী হিসাবে অথবা সমর্থনকারী হিসাবে মেয়র অথবা সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর বা সাধারণ আসনের কাউন্সিলর পদে নির্বাচনের উদ্দেশ্যে সংশ্লিষ্ট পদে একটির অধিক মনোনয়নপত্রে তার নাম ব্যবহার করবেন না এবং যদি কোন ভোটার একই পদে অনুরূপ একাধিক মনোনয়নপত্রে তার নাম ব্যবহার করেন, তা হলে এইরূপ সকল মনোনয়পত্র বাতিল বলে গণ্য হবে।

মেয়র প্রার্থীদের জামানত-মেয়র নির্বাচনের ক্ষেত্রে, প্রতিটি মনোনয়নপত্রের সাথে, ২৫ হাজার ভোটার সম্বলিত নির্বচনী এলাকার জন্য ১৫ হাজার টাকা, ২৫ হাজার এক হতে ৫০ হাজার ভোটার সম্বলিত নির্বাচনী এলাকার জন্য ২০ হাজার টাকা, ৫০ হাজার এক হতে ০১ লক্ষ ভোটার সম্বলিত নির্বাচনী এলাকার জন্য ২৫ হাজার টাকা এবং ১ লক্ষ বা তদুর্ধ ভোটার সম্বলিত নির্বাচনী এলাকার জন্য ৩০ হাজার টাকা জমাদানের প্রমাণ স্বরূপ ট্রেজারী চালান বা কোন তফসিলী ব্যাংকের পে-অর্ডার বা পোস্টাল অর্ডার জমা জমা দিতে হবে।

কাউন্সিলর প্রার্থীদের জামানত-কাউন্সিলর (সাধারণ ও সংরক্ষিত) নির্বাচনের ক্ষেত্রে, প্রতিটি মনোনয়পত্রের ৫ হাজার টাকা জমাদনের প্রমাণ স্বরূপ ট্রেজারী চালান বা কোন তফসিলী ব্যাংকের পে-অর্ডার বা পোস্টাল অর্ডার জমা দিতে হবে। জামানতের টাকা ‘০৬/০৬০১/০০০১/৮৪৭৩’ খাতে জমা দিতে হবে। কোন প্রার্থীর অনুকূলে একাধিক মনোনয়নপত্র দাখিল করা হলে, একাধিক জামানতের প্রয়োজন হবে না।

দলীয় প্রার্থীর জন্য রাজনৈতিক দলের প্রত্যয়নপত্র-রাজনৈতিক দলের মেয়র প্রার্থীর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক বা সমপর্যায়ের পদাধিকারী বা তাদের নিকট হতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তির স্বাক্ষরিত এই মর্মে একটি প্রত্যয়নপত্র থাকতে হবে যে, উক্ত প্রার্থীকে উক্ত দল হতে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে (মনোনয়নপত্রের সাথে দলের মনোনয়ন সংযুক্তি-২ অনুসারে)। কোন রাজনৈতিক দল কোন পৌরসভায় একাধিক ব্যক্তিকে মেয়র পদে মনোনয়ন প্রদান করতে পারবেনা, একাধিক ব্যক্তিকে মনোনয়ন প্রদান করলে সংশ্লিষ্ট পৌরসভায় উক্ত দলের সকল প্রার্থীর মনোনয়পত্র বাতিল বলে গণ্য হবে। নির্বাচনে অংশগ্রহণে ইচ্ছুক সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলকে উহার ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম, পদবী, নমুনা স্বাক্ষরসহ একটি পত্র নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার ৫(পাঁচ) দিনের মধ্যে রিটার্নিং অফিসারের নিকট এবং উক্ত পত্রের একটি অনুলিপি নির্বাচন কমিশনেও প্রেরণ করতে হবে।

নির্বাচনের প্রচারের সময়-পৌরসভা নির্বাচনে কোন রাজনৈতিকদল, প্রার্থী বা তাদের পক্ষে কোন ব্যক্তি, সংস্থা, বা প্রতিষ্ঠান ভোট গ্রহণের দিনের ৩ সপ্তাহ সময়ের পূর্বে কোন প্রকার নির্বাচনী প্রচার শুরু করতে পারবেন না। সূত্র-নয়াদিগন্ত

নিউজটি শেয়ার করুন

306 বার মোট পড়া হয়েছে সংবাদটি
error: আপনি কি খারাপ লোক ? কপি করছেন কেন ?? হাহাহ