এপ্রিল ২৪, ২০১৬ ১০:০১ অপরাহ্ণ

লিটারে ১০ টাকা কমলো অকটেন-পেট্রোলের দাম


অবশেষে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত কার্যকর হলো। রোববার সন্ধ্যায় এ সংক্রান্ত গ্যাজেট প্রকাশ করেছে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি বিভাগ। এ নির্দেশনা রাত ১২টার পর থেকে কার্যকর হবে।

গ্যাজেটে অনুযায়ী, অকটেন ও পেট্রোলে লিটারপ্রতি কমছে ১০ টাকা, সেই হিসাবে এই দুই জ্বালানি তেলের দাম হবে যথাক্রমে  ৮৯ ও  ৮৬ টাকা। আর ডিজেল ও কেরোসিন দাম কমবে লিটার প্রতি ৩ টাকা, সেই হিসাবে বাজারদর হবে ৬৫ টাকা লিটার।

এর আগে গত ৪ এপ্রিল জানানো হয়, জ্বালানি তেলের দাম কামনো হবে তিন ধাপে । তিন ধরনের জ্বালানি তেল অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেলের দাম ছয় মাসে ধাপে ধাপে লিটার প্রতি মোট ২০ টাকা কমানো হবে। প্রথমে লিটারে ১০ টাকা, পরে দুই ধাপে ৫ টাকা করে কমানো হতে পারে।

দেশের বাজারে বিপিসি বিক্রি করছে বর্তমানে প্রতি লিটার অকটেন ৯৯, পেট্রোল ৯৬, কেরোসিন ও ডিজেল ৬৮ টাকায়।যেখানে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমেছে ২০১৪ সালের জুন থেকে। কিন্তু দেশে এখন পর্যন্ত দাম না কমানোয় গত দুই বছর ধরে লাভ করছে বিপিসি।

আন্তর্জাতিক বাজারের বর্তমান দাম (অপরিশোধিত প্রতি ব্যারেল বা ১৫৯ লিটার) অনুযায়ী প্রতি লিটার ফার্নেস অয়েল বিপিসি কিনছে ৩০ টাকায়, অকটেন ৫৫ টাকায় ও পেট্রল ৫০ টাকায়। ডিজেল আর কেরোসিন কিনছে ৩৮ টাকায়।

কম দামে কিনে দেশে বেশি দামে বিক্রি করায় গত অর্থবছরে (২০১৪-১৫) বিপিসি ৫ হাজার কোটি টাকা লাভ করেছে। আর চলতি অর্থবছরে (২০১৫-১৬) ৭ হাজার কোটি টাকা লাভের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এরমধ্যেই অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে মুনাফা হয়েছে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা।

দেশে জ্বালানি তেলের চাহিদা প্রায় ৫৫ লাখ মেট্রিক টন। যার প্রায় পুরোটাই আমদানি করা হয়।

এ তেল সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় পরিবহন খাতে, ৪৫ শতাংশ। এছাড়া বিদ্যুৎ খাতে ২৫ শতাংশ, কৃষি খাতে ১৯ শতাংশ, শিল্প খাতে ৪ শতাংশ এবং গৃহস্থালী ও অন্যান্য খাতে ৭ শতাংশ।

আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধির কারণে সর্বশেষ ২০১৩ সালের ৪ জানুয়ারি বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়। তখন পেট্রোল-অকটেন লিটার প্রতি ৫ টাকা এবং ডিজেল কেরোসিনের দাম ৭ টাকা করে বাড়ানো হয়েছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

320 বার মোট পড়া হয়েছে সংবাদটি
error: আপনি কি খারাপ লোক ? কপি করছেন কেন ?? হাহাহ