ডিসেম্বর ৪, ২০১৬ ৮:৩৫ অপরাহ্ণ

যৌন নিপীড়নকারি নেত্রকোনার আনসার সদস্য সিলেটে গ্রেফতার


নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নকারি আনসার সদস্য সুমন মিয়াকে ৫ দিন পর সিলেটের হরিপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে কেন্দুয়া থানার পুলিশ। রবিবার দুপুরে তাকে নেত্রকোনা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এনে বিকালে কোর্টে সোপর্দ করা হয়েছে।

সুমন মিয়া (২৫) কেন্দুয়া উপজেলার আশুজিয়া ইউনিয়নের কৈলাটি গ্রামের আব্দুর রাশিদের ছেলে। মোবাইল ট্রাকিং করে গত শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছেন কেন্দুয়া থানা ওসি মো. সিরাজুল ইসলাম। গত ২৯ নভেম্বর ওই শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানী করার পর থেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছিল সুমন। তাকে পালানোয় সহযোহিতা করায় পুলিশ ওই দিনই তার বাবাকে আটক করে।

উল্লেখ্য, গত ২৯ নভেম্বর সকাল ৯টার দিকে উপজেলার আশুজিয়া ইউনিয়নের জনতা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী বার্ষিক পরীক্ষায় অংশ নিতে আরেক সহপাঠিকে সাথে নিয়ে বিদ্যালয়ে আসছিল। পথে স্কুলের অদূরে সুমনদের বাড়ির সামনে পৌঁছলে ছাত্রীটিকে ঝাপটে ধরে যৌন হয়রানির চেষ্টা চালায় সুমন। এসময় তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। পরে শিক্ষার্থীর চিৎকারে স্কুলের প্রধান শিক্ষক এবং ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলামসহ স্থানীয়রা ছুটে এলে বখাটে সুমন পালিয়ে যায়। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে চেয়ারম্যানের বাড়িতে শিক্ষার্থীকে আশ্রয় দেওয়া হয়।
এদিকে এ ঘটনার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত এলাকাবাসীকে নিয়ে চেয়ারম্যানের বাড়িতে দুপুরে দরবার বসে। বিকেলে জেলা প্রশাসকের নির্দেশ মোতাবেক স্থানীয় চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় ইউএনও এবং ওসি সুমনের বাবাকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়। রাতে শিক্ষার্থীর চাচা বাদী হয়ে কেন্দুয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলায় বখাটে সুমন ছাড়াও ছেলেকে পালাতে সহায়তা করার অপরাধে সুমনের বাবা আব্দুর রাশিদকে আসামি করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

340 বার মোট পড়া হয়েছে সংবাদটি
error: আপনি কি খারাপ লোক ? কপি করছেন কেন ?? হাহাহ