মার্চ ৭, ২০১৯ ১:৩৮ অপরাহ্ণ

এমপি সুলতান মনসুর শপথ নিয়েছেন


ডেক্স রিপোর্ট ঃ জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার নেতা ডাকসুর সাবেক ভিপি,আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বিজয়ী এমপি সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদ আজ ৭ মার্চ বৃহস্পতিবার সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহন করেছেন। জাতীয় সংসদ ভবনে বেলা ১১টার দিকে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী তার দপ্তরে সুলতান মনসুরকে শপথবাক্য পাঠ করান।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী প্রার্থী সুলতান মনসুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চ শপথ নেয়ার ইচ্ছা জানিয়ে গত শনিবার স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর কাছে চিঠি দেন। তার দেয়া চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে রোববার স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী ৭ মার্চ সকাল ১১টায় শপথ গ্রহণের জন্য দিন সময় নির্ধারণ করে সংসদের পক্ষ থেকে তাকে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেয়া হয়।
ঐক্যফ্রন্টের ব্যানারে মৌলভীবাজার-২ আসনে নির্বাচন করে বিজয়ী জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য সুলতান মনসুর জানান তার নির্বাচনী এলাকার ভোটার ও নেতাকর্মীদের ইচ্ছাকেই বেশি গুরুত্ব দিয়ে তিনি শপথ গ্রহন করেছেন।
বঙ্গবন্ধুর আদর্শের ক্লিন ইমেজের জাতীয় নেতা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী ডাকসুর সাবেক ভিপি সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ৭৯ হাজার ৭৪২ ভোট পেয়ে শ্রোতের বিপরীতে গিয়ে মৌলভীবাজার-২ কুলাউড়া আসনে বিজয়ী হয়ে মৌলভীবাজার জেলাসহ সর্বত্র আলোচনার জন্ম দেন। বিজয়ের ব্যাপারে সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদ বলেন,জনগণের প্রতি আমার আস্থা ছিল,জনগণ সেই আস্থা রেখেছে। প্রমাণ হয়েছে জনগণ ক্ষমতার উৎস। তিনি বলেন ভোটের আগের রাত থেকে ব্যাপক ব্যালট জালিয়াতি করে আমার জয় ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। ভোটের আগের রাত পর্যন্ত তার কর্মী সমর্থক ও অনুসারীরা নির্বাচনী মামলায় ছিলেন বাড়ি ঘর ছাড়া। তবে জনগণ শত প্রতিকূলতার মধ্যেও শেষ পর্যন্ত ভোট কেন্দ্র পাহারা দিয়ে তাদের সকল ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দিয়েছে। ভোটারদের মন ও আস্থা জয় করতে পেরেছিলেন বলেই ভোটের মাঠে হামলা-মামলাসহ শত প্রতিকূলতা তার বিজয়ে বাঁধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। মানুষ তাকে আপন করে কাছে টেনে ভালোবেসে ভোট যুদ্ধে প্রতীক নয়, প্রার্থী দেখে ভোটের দিন নিরব ব্যালট বিপ্লবে বিজয়ী করেছে। ভোটের মাঠে এমন নানা ঘাত প্রতিঘাত মোকাবেলা করে তিনি এ বিজয় অর্জন করতে সক্ষম হন। কারন তিনি তার ব্যতিক্রমী রাজনৈতিক আদর্শ দিয়ে নিজ জেলাসহ পুরো সিলেট বিভাগের মানুষের মনে ঠাঁই করে নিয়েছেন। তিনিও তাদের এমন ভালোবাসার প্রতিদান রক্ষা করেছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে কখনো আর্দশ থেকে বিচ্যুত না হওয়ায় ব্যতিক্রমী রাজনৈতিক গুনাবলীর কারনেই সর্বশ্রেণীর মানুষের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা ও জনপ্রিয়তা রয়েছে। যার প্রমান হয়েছে এবারের নির্বাচনে।


505 বার মোট শেয়ার হয়েছে সংবাদটি
error: আপনি কি খারাপ লোক ? কপি করছেন কেন ?? হাহাহ