জানুয়ারি ২, ২০১৯ ১:৫৫ অপরাহ্ণ

সিলেটের রাজনীতিতে ম্যারাডোনা সুলতানের চমক


ডেক্স রিপোর্ট ঃ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শ্রোতের বিপরীতে গিয়ে মৌলভীবাজার-২ কুলাউড়া আসনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী ডাকসুর সাবেক ভিপি সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদ ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ৭৯ হাজার ৭৪২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়ে মৌলভীবাজার জেলাসহ সর্বত্র আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। বিজয়ের ব্যাপারে সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদ বলেন,জনগণের প্রতি আমার আস্থা ছিল,জনগণ সেই আস্থা রেখেছে। প্রমাণ হয়েছে জনগণ ক্ষমতার উৎস। তিনি বলেন,ভোটের আগের রাত থেকে ব্যাপক ব্যালট জালিয়াতি করে আমার জয় ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে জনগণ শত প্রতিকূলতার মধ্যেও শেষ পর্যন্ত ভোট কেন্দ্র পাহারা দিয়ে তাদের সকল ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দিয়েছে।
বঙ্গবন্ধুর আদর্শের ক্লিন ইমেজের নেতা জনতার সুলতান ভোটারদের মন ও আস্থা জয় করতে পেরেছিলেন বলেই ভোটের মাঠে হামলা-মামলাসহ শত প্রতিকূলতা তার বাঁধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। মানুষ তাকে আপন করে কাছে টেনে ভালোবেসে ভোট যুদ্ধে প্রতীক নয়, প্রার্থী দেখে ভোটের দিন নিরব ব্যালট বিপ্লবে বিজয়ী করেছে। তাই ডাকসুর সাবেক ভিপি, কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের কেন্দ্রীয় নেতা সাবেক এমপি সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদ তার এ বিজয়কে নিজ জন্ম মাটির প্রিয়জনদের প্রতি উৎসর্গ করেছেন। সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদ এর নির্বাচনী মাঠ ছিল কন্টাকীর্ণ। ভোটের আগের রাত পর্যন্ত তার কর্মী সমর্থক ও অনুসারীরা নির্বাচনী মামলায় ছিলেন বাড়ি ঘর ছাড়া। চলমান এমন অবস্থায় উদ্বেগ উৎকন্ঠার শেষ ছিলনা স্থানীয় ভোটারদের। ভোটের মাঠে এমন নানা ঘাত প্রতিঘাত মোকাবেলা করে তিনি এ বিজয় অর্জন করতে সক্ষম হন। ভোটের দিন বিকেল ৪টার পর থেকে ভোট গণনা শুরু হলে তার ফলাফল জানতে উদগ্রীব দলমত নির্বিশেষে নানা শ্রেণী ও পেশার মানুষ দুর-দুরান্ত থেকে পায়ে হেটে জড়ো হয় উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গনে। স্থানীয় ভোটারদের পাশাপাশি পুরো জেলা ও সিলেট বিভাগের এবং দেশ-বিদেশের মানুষ মুঠোফোনে একাধিকবার স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের কাছ থেকে ফলাফলের খোঁজ খবর জানতে চেয়েছেন। কারন তিনি তার ব্যতিক্রমী রাজনৈতিক আদর্শ দিয়ে নিজ জেলাসহ পুরো সিলেট বিভাগের মানুষের মনে ঠাঁই করে নিয়েছেন। প্রবাসী ও পর্যটন অধ্যুষিত সিলেট বিভাগের লোকজন অনেক আগেই তাকে সিলেটের রাজনীতি মাঠের “ম্যারাডোনা” উপাদিতে ভূষিত করেছে। তিনিও তাদের এমন ভালোবাসার প্রতিদান রক্ষা করেছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে কখনো আর্দশ থেকে বিচ্যুত না হওয়ায় ব্যতিক্রমী রাজনৈতিক গুনাবলীর কারনেই সর্বশ্রেণীর মানুষের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা ও জনপ্রিয়তা রয়েছে। যার প্রমান হয়েছে এবারের নির্বাচনে। তার বিজয়ে উচ্চসিত স্থানীয় জনগনের সরল উক্তি সৎ যোগ্য ও আদর্শিক মানুষকে বিজয়ী করতে পেরে আমরা তৃপ্ত।

নিউজটি শেয়ার করুন

error: আপনি কি খারাপ লোক ? কপি করছেন কেন ?? হাহাহ